মেহেরপুরের গাংনীর করমদি গ্রামে শিমা খাতুন (২৫) নামের এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
শনিবার ভোরে পরিবারের সদস্যরা তাকে শোবার ঘর থেকে উদ্ধার করেন। নিহত শিমা খাতুন ওই গ্রামের হযরত আলীর মেয়ে।
স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, শিমা খাতুন তার স্বামী জিনারুল ইসলামের সঙ্গে করমদি গ্রামে বাবার বাড়িতে বসবাস করতেন। রাতে একসঙ্গে খাওয়া-দাওয়া শেষে তারা শোবার ঘরে চলে যান। হঠাৎ ভোরের দিকে শিমা খাতুনকে ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখে স্বামী জিনারুল চিৎকার করে ওঠেন। পরে পরিবারের লোকজন ঘরের ভেতরে ঢুকে শিমার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেন।
প্রতিবেশী মর্জিনা খাতুন বলেন, শিমা ও তার স্বামী জিনারুলের মধ্যে খুব মিল ছিল। নিহত শিমার আগে তিনটি বিয়ে হয়েছিল এবং পূর্বের সংসারে তার একটি মেয়ে রয়েছে। তিনি মাঝে মাঝে বলতেন, ‘চাচি, আমার রাতে ঘুম আসতে চায় না। তাই মাঝে মাঝে ঘুমের বড়ি খেয়ে ঘুমাই।’
নিহত শিমা খাতুনের মা হানুফা খাতুন বলেন, আমার মেয়ে-জামাই ঘরেই থাকত। আমি আমার নাতনিকে নিয়ে পাশের ঘরে থাকি। শিমার ঘরের দরজা রাতে খোলাই ছিল। আজ ভোরে জিনারুলের চিৎকার শুনে ঘর থেকে বের হয়ে দেখি, আমার মেয়ে ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলছে।
বামন্দী পুলিশ ক্যাম্পের এএসআই মাজহারুল ইসলাম বলেন, করমদি গ্রামে শিমা খাতুন নামের এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পরিবারের লোকজন। খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে।
এএন