লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের বোর্ডঘোড়া দক্ষিণ টারী এলাকায় স্বামীপরিত্যক্তা এক নারীর বিবস্ত্র মরদেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ উঠেছে। নিহত স্বপ্না বেগম (৫০) ঈদ উদযাপনের উদ্দেশ্যে কয়েকদিন আগে গ্রামের বাড়িতে এসেছিলেন।
রোববার সকালে তার চাচাতো ভাই নান্নুর বাড়ি থেকে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। স্থানীয়দের দাবি, ঘরের বিছানার ওপর বিবস্ত্র অবস্থায় তার মরদেহ পড়ে ছিল। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
নিহত স্বপ্না বেগম মরহুম নজমুল হোসেনের দ্বিতীয় মেয়ে। প্রায় ২২ বছর আগে স্বামী কালামের সঙ্গে তার বিচ্ছেদ হয়। তাদের একমাত্র মেয়ে দুলালী বিয়ে হয়েছে মৌলভীবাজার জেলার এক যুবকের সঙ্গে। বর্তমানে মেয়ের সংসারে তিন সন্তান রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নান্নুর পরিবারের সদস্যরা দীর্ঘদিন ধরে ঢাকায় থাকায় বাড়িটি ফাঁকা ছিল। ঈদ উপলক্ষে চার দিন আগে সেখানে এসে ওঠেন স্বপ্না। এরপর রহস্যজনকভাবে তার মরদেহ উদ্ধার হয়।
ঘটনার পর স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। অনেকেই ধারণা করছেন, তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে পুলিশ বলছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ছাড়া মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া সম্ভব নয়।
আদিতমারী থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য লালমনিরহাট সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এএন