আলোচিত রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার প্রধান অভিযুক্তকে দ্রুততম সময়ে আইনের আওতায় আনা হয়েছে এবং আগামী ১ জুন থেকে এই মামলার বিচার কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
সোমবার চুয়াডাঙ্গায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের সমাপনী দিনে প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, ‘রামিসা ধর্ষণ ও হত্যার সঙ্গে জড়িত প্রধান অভিযুক্তকে ঘটনার মাত্র সাত ঘণ্টার মাথায় গ্রেফতার করা হয়েছিল এবং ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আসামি আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। আমরা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, এক সপ্তাহের মধ্যে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দেওয়া হবে, তা নিশ্চিত করা হয়েছে।’
তিনি আরও জানান, আগামী ১ জুন থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত আদালতগুলোতে ছুটি থাকলেও নারী ও শিশু নির্যাতন সংক্রান্ত বিশেষ আদালতগুলো এই ছুটির আওতামুক্ত থাকবে। সরকার সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে পরামর্শ করে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যার ফলে ১ জুন থেকেই রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার প্রক্রিয়া শুরু করা সম্ভব হচ্ছে।
চুয়াডাঙ্গায় জেলা বিএনপির দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে এসব কথা বলেন তিনি।
নাসির উদ্দিন পাটোয়ারীর প্রসঙ্গ টেনে আইনমন্ত্রী আরও বলেন, ‘নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী সাহেবের সঙ্গে স্থানীয়ভাবে যে আচরণ করা হয়েছে, তা কেউ কামনা করে না এবং এটি মোটেও শোভনীয় নয়। এনসিপির (জাতীয় নাগরিক পার্টি) সঙ্গে যে ঘটনা ঘটেছে, তা রাজনৈতিকভাবে এনসিপি যেভাবে দেখছে, বিএনপিও তেমনি রাজনৈতিকভাবেই দেখছে।’
এর আগে চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহারের সভাপতিত্বে নজরুল জন্মবার্ষিকীর সমাপনী অনুষ্ঠানে নজরুলবিষয়ক আলোচনা, আকর্ষণীয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবির খান এবং জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শরিফুজ্জামান শরীফসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এএন