বাণিজ্যমন্ত্রী

কোরবানির চামড়া পাচারের শঙ্কা নেই

আলী রেজা রাজু সাভার প্রকাশিত: মে ২৯, ২০২৬, ০৬:৪৪ পিএম

এবার ঈদুল আজহায় কোরবানির চামড়া পাচার হওয়ার কোনো সম্ভাবনা বা আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। 

শুক্রবার দুপুরে সাভারের ট্যানারি এলাকায় কাঁচা চামড়া ক্রয়-বিক্রয় কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই কথা জানান।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, এবার অন্যান্য বছরের তুলনায় অনেক বেশি সংখ্যক চামড়া বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে এবং সেগুলো কোনো রকম জটিলতা ছাড়াই সরাসরি ট্যানারিতে পৌঁছানো যাবে। ভবিষ্যতে চামড়া সংগ্রহের এই ব্যবস্থাকে একটি স্থায়ী ও আধুনিক অবকাঠামোয় রূপ দেওয়ার বিশেষ পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, কাঁচা বা ওয়েট ব্লু চামড়া সরাসরি রপ্তানি করে যে পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা আয় হয়, তার চেয়ে অনেক গুণ বেশি আয় করা সম্ভব চামড়া দিয়ে জুতা, বেল্ট, ব্যাগসহ বিভিন্ন ফিনিশড বা প্রস্তুত পণ্য দেশে উৎপাদন ও বিদেশে রপ্তানির মাধ্যমে। আমাদের মূল লক্ষ্য হচ্ছে এই খাতের মাধ্যমে আরও বেশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা এবং দেশে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা।

মন্ত্রী জানান, দেশের সব কোরবানির চামড়া যাতে সঠিকভাবে প্রক্রিয়াজাত ও সংরক্ষণ করা যায়, সে জন্য সাভার ট্যানারি শিল্পনগরীর সেন্ট্রাল এফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট বা সিইটিপি (CETP)-র বিদ্যমান সমস্যাগুলোর স্থায়ী সমাধানে কাজ চলছে।

চামড়া যেন কোনোভাবেই নষ্ট না হয়, সেজন্য দেশের যেসব স্থানে কাঁচা চামড়া সংগ্রহ করা হচ্ছে, সেখানে সার্বক্ষণিকভাবে দক্ষ লোকবল কাজ করছে। ফলে এবার চামড়া পাচারের কোনো সুযোগ নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি চামড়া ব্যবসায়ী, আড়তদার, ক্রেতা ও বিক্রেতাদের উদ্দেশে বলেন, যারা কোরবানির চামড়ায় সঠিক সময়ে ও সঠিক নিয়মে লবণ ব্যবহার করে সংরক্ষণ করবেন, তারা বাজারে ভালো দাম পাবেন। এ সময় তিনি উপস্থিত চামড়া ব্যবসায়ী, ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সঙ্গে চামড়া সংরক্ষণ ও বাজার পরিস্থিতি নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেন।

এদিকে গতকাল ঈদের দিন থেকেই সাভারের বিসিক চামড়া শিল্পনগরীর বিভিন্ন ট্যানারি কারখানায় কোরবানির চামড়াবাহী যানবাহন প্রবেশ করতে দেখা গেছে।

জেএইচআর