প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক ড. এস এম আব্দুল আওয়াল বলেছেন, বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য হলো সর্বনিম্ন সম্পদ ব্যবহার করে সর্বোচ্চ ফলাফল অর্জন এবং জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করা।
রোববার ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের উদ্যোগে প্রধানমন্ত্রীর বিভিন্ন সিগনেচার কর্মসূচির বাস্তবায়ন অগ্রগতি বিষয়ক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) জন কেনেডি জাম্বিল।
ড. আওয়াল বলেন, শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ১৯ দফা কর্মসূচির অন্যতম লক্ষ্য ছিল গ্রামীণ কৃষি অর্থনীতির উন্নয়ন। খাল খনন কর্মসূচি, তৈরি পোশাক শিল্প, রেমিট্যান্স এবং নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসসহ বিভিন্ন উদ্যোগের মাধ্যমে তিনি দেশের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করেছেন। একইভাবে ১৯৯১ সালে প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) চালু এবং নারীদের বিনামূল্যে শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনে।
তিনি আরও বলেন, ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের অংশ হিসেবে বিভিন্ন সিগনেচার কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, খাল খনন কর্মসূচি, ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস, আন্তর্জাতিক পেমেন্ট গেটওয়ে সিস্টেম, উদ্যোক্তা তৈরি, কর্মমুখী শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন এবং কৃষি ও কর্মসংস্থান উন্নয়ন।
মুখ্য সমন্বয়ক বলেন, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন, নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করা, ডিজিটাল আসক্তি কমিয়ে শিক্ষার্থীদের খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করা, নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন এবং কৃষি ও রপ্তানি খাতের সম্প্রসারণ সরকারের অগ্রাধিকার।
তিনি বলেন, তৃণমূল পর্যায়ের বাস্তব অবস্থা পর্যবেক্ষণ এবং জনবান্ধব কর্মসূচির কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতেই এ ধরনের সভার আয়োজন করা হয়েছে। সরকার ঘোষিত কর্মসূচিগুলো সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে দেশ ও জাতি উপকৃত হবে এবং ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ বাস্তবায়নের পথ আরও সুগম হবে।
সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান, পুলিশ সুপার মো. কামরুল হাসান, বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের পরিচালক মো. গোলাম মোস্তফাসহ বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।
এম জি