জয়পুরহাটের কালাই উপজেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটি (এসএমসি) নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দুই প্যানেলের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে এক প্রার্থীসহ অন্তত ৯ জন আহত হয়েছেন।
সোমবার (৮ জুন) দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার করিমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ চলাকালে এ ঘটনা ঘটে।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন প্রার্থী শেখ শাহাঙ্গীর আলম এবং তার সমর্থক শেখ হাবিবুর রহমান, মিথুন মণ্ডল ও ইউসুফ আলী। অপর পক্ষের আহতরা হলেন সাদিক হোসেন, মুনছুর রহমান, জুয়েল রানা, রশিদুল ইসলাম ও রানা মিয়া। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জিন্দারপুর ইউনিয়নের করিমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির চারজন অভিভাবক সদস্য নির্বাচনের জন্য ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে আনিছুর রহমান ও শেখ শাহাঙ্গীর আলমের নেতৃত্বে দুটি প্যানেলের আটজন এবং একজন স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ মোট নয়জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
সকাল ৯টা থেকে ৩৪০ জন ভোটারের ভোটগ্রহণ শুরু হয়। ভোট চলাকালে লাইনে দাঁড়ানো এক ভোটারের সঙ্গে কথা বলাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে প্রথমে বাকবিতণ্ডা এবং পরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে কালাই থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
কেন্দ্রের প্রিজাইডিং কর্মকর্তা ও উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা তারিকুল ইসলাম বলেন, ভোটকেন্দ্রের বাইরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটলেও ভোটগ্রহণ কার্যক্রম বন্ধ করা হয়নি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর ভোটগ্রহণ শেষ করে ফলাফল ঘোষণা করা হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামিম আরা জানান, ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত পুলিশ পাঠানো হয় এবং পরিস্থিতি শান্ত করা হয়। লিখিত অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কালাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এ ঘটনায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ বা মামলা হয়নি। অভিযোগ পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এম জি