কৃষিমন্ত্রী

মৌলিক ও উদ্ভাবনী গবেষণায় বিজ্ঞানীদের মনোযোগী হতে হবে

আব্দুল্লাহ আল আমীন, ময়মনসিংহ প্রকাশিত: জুন ২৪, ২০২৬, ০৬:৫৭ পিএম

দেশের টেকসই উন্নয়ন ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে বিজ্ঞানীদের বাজেটনির্ভর নয়, বরং খাদ্যের পুষ্টিগুণ, নিরাপত্তা ও জনস্বাস্থ্যের বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে মৌলিক, উদ্ভাবনী ও মানসম্পন্ন গবেষণায় আত্মনিয়োগ করতে হবে। 

মঙ্গলবার বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই) পরিদর্শন শেষে প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, দেশের কৃষি ও মৎস্য খাতকে এগিয়ে নিতে গবেষণার কোনো বিকল্প নেই। নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে বিজ্ঞানীদের আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে। কৃষিকে আধুনিক ও যুগোপযোগী করতে উৎপাদনশীল প্রকল্প গ্রহণ এবং গবেষণার ফলাফল বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। পাশাপাশি গবেষণার প্যাটেন্ট গ্রহণের মাধ্যমে দেশের উদ্ভাবনকে আরও এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, পৃথিবীতে খাদ্য উৎপাদনের অভাব নেই, তবে নিরাপদ ও মানসম্মত খাদ্য উৎপাদন বড় চ্যালেঞ্জ। ভেজাল ও নিম্নমানের খাবারের কারণে কৃষি ও মৎস্য খাত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তাই আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে গুরুত্ব দিতে হবে। বিশ্ববাজারে স্বাদুপানির মাছের চাহিদা কম থাকলেও নিরাপদ ও মানসম্মত উৎপাদন বাড়াতে পারলে ভবিষ্যতে রপ্তানির সুযোগ তৈরি হবে।

মৎস্যচাষীদের ভর্তুকিমূল্যে বিদ্যুৎ সরবরাহের দাবির বিষয়ে তিনি বলেন, এ দাবি যৌক্তিক। বিষয়টি নিয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এর আগে মন্ত্রী বিএফআরআইয়ের বিভিন্ন হ্যাচারি ও মাছ চাষ কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। তিনি বিভিন্ন প্রজাতির মাছের উৎপাদন ও গবেষণা কার্যক্রম ঘুরে দেখেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন। এ সময় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন, বিএফআরআইয়ের মহাপরিচালক ড. অনুরাধা ভদ্রসহ মন্ত্রণালয় ও ইনস্টিটিউটের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

জেএইচআর