নেত্রকোণার পূর্বধলা উপজেলার কালিহর নদী থেকে ইট দিয়ে বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার হওয়া এক নবজাতকের লাশের রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। প্রতিবেশী এক যুবকের ধর্ষণের শিকার হয়ে ১২ বছরের এক শিশু গর্ভবতী হয়ে পড়েছিল। লোকলজ্জা ও আসামির হুমকির মুখে পরে মৃত প্রসব হওয়া ওই নবজাতকের লাশ নদীতে ডুবিয়ে দেওয়া হয় বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ।
এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে মূল অভিযুক্ত মো. সাজন মিয়াকে (২৫) মঙ্গলবার ভোরে গ্রেপ্তার করেছে পূর্বধলা থানা-পুলিশ। সাজন মিয়া উপজেলার কোনাকালিহর (মাইজপাড়া) গ্রামের আব্দুল হামিদের ছেলে। পেশায় তিনি একজন কৃষক।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২৯ জুন সকাল সোয়া ১১টার দিকে পূর্বধলার হোগলা ইউনিয়নের কালিহরকান্দা এলাকায় কালিহর নদীতে একটি নবজাতকের লাশ ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দেন স্থানীয়রা। পুলিশ গিয়ে প্লাস্টিকের রশি দিয়ে ইটের সাথে বাঁধা এবং কালো শার্টে মোড়ানো এক নবজাতক কন্যা শিশুর লাশ উদ্ধার করে। এই ঘটনায় পূর্বধলা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. ফারুক খান বাদী হয়ে দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলা দায়েরের পর জেলা পুলিশ সুপার মো. তরিকুল ইসলাম ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার স্বজল কুমার সরকারের নির্দেশনায় তদন্তে নামে পূর্বধলা থানা-পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ঘটনার মূল হোতা সাজন মিয়াকে গ্রেপ্তারের পর বেরিয়ে আসে মূল রহস্য।
জেএইচআর