খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) ট্রাফিক বিভাগে কর্মরত কর্মকর্তা ও সদস্যদের প্রশংসনীয় ও দক্ষ কর্মসম্পাদনের স্বীকৃতিস্বরূপ আর্থিক পুরস্কার ও সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে।
বুধবার (৮ জুলাই) সকালে কেএমপি সদর দপ্তরের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কৃতি পুলিশ সদস্যদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান।
গত এক মাসে কর্মক্ষেত্রে দক্ষতা ও দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেওয়ায় ট্রাফিক বিভাগের একজন পুলিশ পরিদর্শক (শহর ও যানবাহন), পাঁচজন সার্জেন্ট/টিএসআই, পাঁচজন সহকারী ট্রাফিক উপপরিদর্শক (এটিএসআই) এবং ২০ জন কনস্টেবলসহ মোট ৩১ জন পুলিশ সদস্যকে আর্থিক পুরস্কার প্রদান করা হয়।
পুরস্কার বিতরণ শেষে ট্রাফিক বিভাগের সদস্যদের উদ্দেশে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন পুলিশ কমিশনার। তিনি বলেন, নিয়মিত যানজট নিরসন ও ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষায়ও পুলিশ সদস্যদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে।
তিনি দায়িত্ব পালনকালে কোনো সন্দেহজনক মিছিল, মোটরসাইকেল র্যালি, অপরাধমূলক কার্যক্রম বা যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি চোখে পড়লে তাৎক্ষণিকভাবে কন্ট্রোল রুম অথবা বেতার যোগাযোগের মাধ্যমে জানাতে নির্দেশ দেন।
পুলিশ কমিশনার বলেন, ভালো কাজের স্বীকৃতি ও পুরস্কার প্রদানের এ ধারা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। এর মাধ্যমে পুলিশ সদস্যরা আরও নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনে উৎসাহিত হবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি পরিবেশ সংরক্ষণেও গুরুত্বারোপ করেন তিনি। মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান জানান, তাঁর ব্যক্তিগত উদ্যোগে ১২ হাজারের বেশি গাছের চারা সংগ্রহ করা হয়েছে। এসব চারা বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সরকারি দপ্তর এবং উপযুক্ত খালি জায়গায় রোপণ করা হবে।
তিনি বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ, সবুজ ও বাসযোগ্য পরিবেশ গড়ে তুলতে সকল পুলিশ সদস্যকে নিজ নিজ বাড়ি, অফিস ও কর্মস্থলে বৃক্ষরোপণের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে পরিবেশ সংরক্ষণে বৃক্ষরোপণকে সদকায়ে জারিয়ার একটি উত্তম মাধ্যম হিসেবেও উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠানে কেএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক অ্যান্ড প্রটোকল) মুহাম্মদ শাহনেওয়াজ খালেদ, পিপিএম-সেবা, ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) শফিকুল ইসলামসহ বিভিন্ন পর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এম জি