নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার চলনবিল ও সংলগ্ন নদ-নদীতে মা মাছ, পোনা মাছ এবং দেশীয় প্রজাতির মাছ সংরক্ষণে অবৈধ জালের বিরুদ্ধে দিনব্যাপী অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন।
শনিবার সকালে উপজেলার চাঁচকৈড় হাটে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল জব্দ করে জনসম্মুখে পুড়িয়ে ফেলা হয়।
পরে আত্রাই, নন্দকুজা ও বেসানী নদীসহ চলনবিলের বিলশা, হরদমা ও পিপলা এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জাল জব্দ করা হয়। জব্দকৃত জালগুলো একত্রিত করে অভিযান শেষে জনসম্মুখে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হবে বলে জানিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। অভিযানে নেতৃত্ব দেন গুরুদাসপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আসাদুল ইসলাম।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়ের সহযোগিতায় পরিচালিত এই অভিযানে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা রতন চন্দ্র সাহা, থানা পুলিশের সদস্য এবং ভূমি ও মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশ নেন।
উপজেলা প্রশাসন জানায়, চলনবিল ও আশপাশের নদ-নদীতে অবৈধ সৌতি জাল, কারেন্ট জাল ও চায়না দুয়ারি জালের ব্যবহার দেশীয় মাছের প্রজনন, পোনা মাছের বেঁচে থাকা এবং জলজ জীববৈচিত্র্যের জন্য মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করছে। এই কারণে মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণে নিয়মিতভাবে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
সহকারী কমিশনার (ভূমি) আসাদুল ইসলাম বলেন, চলনবিলের মৎস্যসম্পদ রক্ষা এবং দেশীয় মাছের প্রজনন নিশ্চিত করতে অবৈধ সৌতি জাল, কারেন্ট জাল ও চায়না দুয়ারি জালের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তিনি জেলেদের নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার থেকে বিরত থেকে মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণে প্রশাসনকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।
জেএইচআর