ঝালকাঠি জেলা সদর ও নলছিটি উপজেলার মধ্যে সড়ক যোগাযোগ সহজ করতে সুগন্ধা নদীর ওপর সম্ভাব্য সেতু নির্মাণের উদ্যোগের অংশ হিসেবে প্রস্তাবিত স্থানগুলো পরিদর্শন করেছেন সেতু বিভাগ ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের সচিব মো. আবদুর রউফ।
শনিবার সকালে ঝালকাঠি কলেজ খেয়াঘাট থেকে স্পিডবোটে করে সুগন্ধা নদীর বিভিন্ন সম্ভাব্য সেতু নির্মাণস্থল পরিদর্শন করেন তিনি। এই সময় সেতু বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের প্রকৌশলী এবং স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
পরিদর্শনকালে নলছিটি উপজেলার ষাইটপাকিয়া ও সুতালড়ী এলাকা এবং ঝালকাঠি সদরের পেট্রোলপাম্প-সংলগ্ন স্থানসহ তিনটি সম্ভাব্য সেতু নির্মাণস্থল ঘুরে দেখা হয়। এই সময় নদীর প্রস্থ, নৌযান চলাচলের উপযোগিতা, ভৌগোলিক অবস্থান, সংযোগ সড়ক নির্মাণের সম্ভাবনা এবং সেতু নির্মাণের বিভিন্ন কারিগরি বিষয় পর্যালোচনা করা হয়।
পাশাপাশি প্রকল্প বাস্তবায়নের সম্ভাব্যতা নিয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) ও বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলী এবং কর্মকর্তাদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য নেন সচিব। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, বর্তমানে সম্ভাব্য স্থানগুলো পরিদর্শন এবং প্রাথমিক কারিগরি তথ্য সংগ্রহের কাজ চলছে।
এই সব তথ্যের ভিত্তিতে প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাই করা হবে। পরবর্তী সময়ে বিস্তারিত সমীক্ষা, নকশা প্রণয়ন, সরকারি অনুমোদনসহ প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর প্রকল্প বাস্তবায়নের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, সুগন্ধা নদীর ওপর সেতু নির্মিত হলে ঝালকাঠি সদর ও নলছিটির মধ্যে যাতায়াত আরও সহজ, দ্রুত ও নিরাপদ হবে। একই সঙ্গে দক্ষিণাঞ্চলের সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন গতি আসবে। এতে শিল্প ও বাণিজ্যের প্রসার, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং নদীর দুই তীরের জনপদের আর্থসামাজিক উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে তাঁদের প্রত্যাশা।
জেএইচআর