খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় বন্যা দুর্গত ও নিম্নআয়ের মানুষের সহায়তায় খোলা বাজারে (ওএমএস) চাল ও আটা বিক্রি কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে মাটিরাঙ্গা হাসপাতাল গেইটস্থ ডিলার পয়েন্টে আনুষ্ঠানিকভাবে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন মাটিরাঙ্গা উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা মো. ফরিদ আহমেদ।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপজেলা খাদ্য কার্যালয়ের তদারকি কর্মকর্তা অরুণ কান্তি পাল, সংশ্লিষ্ট ডিলার রবিউল ইসলাম এবং সুবিধাভোগী সাধারণ জনগণ উপস্থিত ছিলেন।
খাদ্য কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, মাটিরাঙ্গা পৌরসভার সর্বমোট ৬টি নির্ধারিত পয়েন্টে এই ওএমএস পণ্য বিক্রি করা হবে। প্রতিদিন আবর্তনশীলভাবে (রোটেশন অনুযায়ী) ২টি পয়েন্টে চাল ও আটা বিক্রি চলবে। প্রতিটি পয়েন্টে প্রতিদিন ১ মেট্রিক টন চাল এবং ৫০০ কেজি আটা বরাদ্দের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
একজন ভোক্তা সর্বোচ্চ ৩০ টাকা কেজি দরে ৫ কেজি চাল এবং ২৪ টাকা কেজি দরে আড়াই কেজি আটা ক্রয় করতে পারবেন। এই সহায়তা কার্যক্রম আগামী আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।
নির্ধারিত বিক্রয় কেন্দ্রসমূহ হলো- মাটিরাঙ্গা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে, আলিশান ভাতঘরের পাশে মুসলিমপাড়া, চৌধুরীঘাট ইসলামপুর এবং মাটিরাঙ্গা পৌরসভা গেইট।
মাটিরাঙ্গা উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা মো. ফরিদ আহমেদ বলেন, “সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ও কম আয়ের মানুষ যাতে খাদ্য সংকটে না পড়েন, সে লক্ষ্যেই সরকার এই বিশেষ ওএমএস কর্মসূচি চালু করেছে। কোনো ধরনের অনিয়ম ছাড়া সঠিক দামে এবং সঠিক মাপে দুর্গত মানুষের হাতে চাল ও আটা পৌঁছে দিতে আমরা সার্বক্ষণিক তদারকি নিশ্চিত করছি।”
এএন