মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠকে আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের নতুন প্রস্তাবিত বাজেট নীতিগতভাবে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদ ভবনে মন্ত্রিসভার এই বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, আজ বিকেল তিনটায় জাতীয় সংসদে দেশের এই নতুন বাজেট পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এটি স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে ৫৫তম এবং বর্তমান নির্বাচিত সরকারের চলতি মেয়াদের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেট।
প্রস্তাবিত এই বাজেটের মোট আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা, যা দেশের ইতিহাসের সর্বোচ্চ বাজেটের রেকর্ড। মেগা এই বাজেটের বিপরীতে সরকারের মোট রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা।
বিশাল আকারের এই বাজেটে মোট ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়াতে পারে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা। এই ঘাটতি মেটাতে সরকার অভ্যন্তরীণ ব্যাংক ব্যবস্থা এবং বৈদেশিক ঋণ সহায়তার ওপর নির্ভর করবে বলে জানা গেছে।
নতুন অর্থবছরের বাজেটে দেশের জিডিপি বা মোট দেশজ উৎপাদনের প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হতে পারে সাড়ে ৬ শতাংশ। এর পাশাপাশি দেশের সামগ্রিক মূল্যস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রা সাড়ে ৭ শতাংশের মধ্যে বেঁধে রাখার পরিকল্পনা করছে সরকার।
উন্নয়ন খাতকে চাঙ্গা করতে আগামী অর্থবছরের জন্য প্রায় ৩ লাখ কোটি টাকার বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপি প্রাথমিকভাবে চূড়ান্ত করেছে মন্ত্রিসভা। মেগা এই উন্নয়ন কর্মসূচিতে সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে অর্থায়ন ধরা হয়েছে ১ লাখ ৯৯ হাজার কোটি টাকা।
বাকি উন্নয়ন কাজ সচল রাখতে বিদেশি ঋণ সহায়তা ও অনুদান খাত থেকে আরও ১ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকার অর্থায়নের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। দুপুরের পর রাষ্ট্রপতির সই শেষে এটি সংসদে উত্থাপন করা হবে।
এএন