বাজেটের পরও রাজধানীর নিত্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল

আমার সংবাদ ডেস্ক প্রকাশিত: জুন ১২, ২০২৬, ০১:১১ পিএম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম বাজেট ঘোষণার পরও রাজধানীর খুচরা বাজারে তেমন কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি। অনেকের ধারণা ছিল বাজেটের পর নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামে ওঠানামা হতে পারে, তবে বাস্তবে বাজারে স্বাভাবিক পরিস্থিতিই বজায় রয়েছে। ক্রেতা ও বিক্রেতারা বলছেন, অধিকাংশ পণ্যের দাম আগের মতোই স্থিতিশীল রয়েছে।

শুক্রবার (১২ জুন) রাজধানীর কারওয়ান বাজার, শান্তিনগর, মালিবাগ, হাতিরপুলসহ বিভিন্ন কাঁচাবাজার ও মাছ-মাংসের বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়।

বাজারে প্রতি পাল্লা (৫ কেজি) আলু বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকায় এবং পেঁয়াজের পাল্লা ১৮০ টাকায়। খুচরা বাজারে প্রতি কেজি আলু ২০ থেকে ৩০ টাকায় এবং পেঁয়াজ ৪০ থেকে ৪৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

সবজির বাজারেও বড় কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি। কাঁকরোল, বেগুন, করলা, বরবটি, ঝিঙ্গা ও চিচিঙ্গা ৬০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। পেঁপে ৩০ থেকে ৪০ টাকা, ঢেঁড়স ৪০ থেকে ৫০ টাকা, পটোল ৪০ টাকা, করলা ৮০ টাকা, গোল বেগুন ৮০ টাকা, সাদা বেগুন ৭০ টাকা এবং লম্বা বেগুন ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। টমেটো ৭০ থেকে ৮০ টাকা, ঢেঁড়স ৬০ থেকে ৭০ টাকা, কুমড়া ৫০ থেকে ৬০ টাকা এবং লেবু হালি ১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মাছের বাজারেও দামে বড় কোনো ওঠানামা নেই। তেলাপিয়া মাছ ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, পাবদা ৩০০ থেকে ৫৫০ টাকা, মাগুর ৫৪০ টাকা এবং শিং মাছ ৪০০ থেকে ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। চিংড়ির দাম আকারভেদে ৮০০ থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকা পর্যন্ত।

মাংসের বাজারে গরুর মাংস ৮০০ থেকে ৮৫০ টাকা এবং খাসির মাংস ১ হাজার ১০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ব্রয়লার মুরগি ১৬০ থেকে ১৮০ টাকা কেজি এবং সোনালি মুরগি ৩৪০ থেকে ৩৬০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। ডজনপ্রতি ডিমের দাম ১১৫ থেকে ১৩০ টাকা, কিছু বাজারে ১৩০ থেকে ১৪০ টাকায়ও বিক্রি হচ্ছে।

মসলার বাজারে দেশি রসুন ৮০ থেকে ১০০ টাকা, আমদানি করা রসুন ১২০ থেকে ১৪০ টাকা এবং আদা ১৪০ থেকে ১৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

ব্যবসায়ীরা জানান, বাজেটে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যে বড় ধরনের কর বা শুল্ক বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত না থাকায় বাজারে তাৎক্ষণিক কোনো অস্থিরতা তৈরি হয়নি। বরং কিছু পণ্যে শুল্ক-কর ছাড়ের কারণে ভবিষ্যতে দাম আরও কিছুটা কমার সম্ভাবনাও রয়েছে।

এদিকে বাজেট-পরবর্তী প্রথম কার্যদিবসেও বাজারে স্বস্তির চিত্রই দেখা গেছে। সরবরাহ স্বাভাবিক থাকায় দামও স্থিতিশীল রয়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

এম জি