ভোট বর্জনের পর জাবিতে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৫, ১০:৫২ পিএম

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন বর্জন করে বিক্ষোভ মিছিল করেছে ছাত্রদল। মিছিল থেকে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন কলাভবনের সামনে থেকে মিছিলটি বের হয়।

এটি জাকসু নির্বাচন কমিশনের কার্যালয়ের সামনের সড়ক হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন চত্বর  অতিক্রম করে চৌরঙ্গীতে গিয়ে শেষ হয়।

মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের আহ্বায়ক জহির উদ্দিন মোহাম্মদ বাবর বলেন, গণঅভ্যুত্থান পরবর্তীতে ছাত্রদল যখন থেকে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেছে, তখন থেকে গণঅভ্যুত্থানের স্পিরিট ধারণ করে শিক্ষাবান্ধব রাজনীতি করছে। এর ধারাবাহিকতায় যখন জাকসু নির্বাচনের ঘোষণা আসে, তখন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে সর্বপ্রথম আশ্বস্ত করে। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয় জাকসু নির্বাচনে আমাদের পোলিং এজেন্টদের কেন্দ্রে দুই ঘণ্টা ঢুকতে না দিয়ে নানাভাবে হয়রানি করা হয়েছে। একইসঙ্গে আমরা অনিয়ম এবং কারসাজির নির্বাচন দেখতে পেয়েছি। 

তিনি বলেন, জাহানারা ইমাম হল, বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলসহ বিভিন্ন হলে জাল ভোট দেওয়া হয়েছে। নির্বাচনে যে ব্যালট এবং ভোট গণনা যন্ত্র আছে, তা একজন জামায়াত নেতার কাছ থেকে আনা হয়েছে। তাই আমরা ম্যানুয়ালি ভোট গণনার দাবি জানিয়েছিলাম। বিদ্যালয়ের প্রশাসনও আমাদের দাবির সঙ্গে একমত হয়ে ম্যানুয়ালি ভোট গণনার সিদ্ধান্ত নেয়। আমাদের প্রশ্ন, যেই জামায়ের নেতার  কোম্পানির কাছ থেকে ভোট গণনা যন্ত্র এনেছে, সেই কোম্পানির কাছ থেকে কেন ব্যালট ছাপানো হল। আমরা মনে করছি, এই প্রতিষ্ঠান শিবিরের স্বার্থে অতিরিক্ত অন্তত বিশ্ব শতাংশ ব্যালট ছাপানো হয়েছে, যেন জাল ভোট দেওয়া সম্ভব হয়। যার সংখ্যা তিন থেকে সাড়ে তিন হাজার। এই ব্যালট দিয়ে শিবির ছাত্রী সংস্থার সহযোগিতায় জাল ভোট দিয়েছে। 

তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে এই প্রহসনের নির্বাচন বাতিল করে নতুন নির্বাচন কমিশন গঠনের মাধ্যমে নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবি জানাচ্ছি।

বিক্ষোভ মিছিলে অন্যদের মধ্যে অংশ নেন ছাত্রদলের ভিপি প্রার্থী শেখ সাদী হাসান, এজিএস (পুরুষ) প্রার্থী সাজ্জাদুল ইসলাম প্রমুখ। এ সময় তারা জাকসু নির্বাচন বয়কট করে নানা ধরনের স্লোগান দেন।

ইএইচ