সুনামগঞ্জ ও সিলেটে অতিসম্প্রতি বন্যায় অনেক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়েছে। এরইমধ্যে সরকারি-বেসরকারিভাবে বন্যাদুর্গত এলাকার মানুষদের ত্রাণ দিয়ে সহযোগিতা করা হয়েছে। সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতিও।
‘বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির’ সাংগঠনিক সম্পাদক চিত্রনায়িকা শাহনূরও এদিক দিয়ে থেমে নেই। তিনিও বন্যাদুর্গত এলাকার মানুষদের পাশে ত্রাণ নিয়ে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন।
অতিসম্প্রতি সুনামগঞ্জের বাদশাগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় ক্লথিং ব্র্যান্ড ‘রিচ অ্যান্ড কিং’-এর প্রতিষ্ঠাতা মো. রমিনূল হক সায়াদের আর্থিক সহযোগিতায় শাহনূর তার ‘শাহনূর ফাউন্ডেশন’ থেকে বন্যার্তদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করেন।
শাহনূর বলেন, ‘সুনামগঞ্জের বন্যাকবলিত এলাকার কষ্টে থাকা মানুষগুলোর মুখে একটু হাসি ফোটানোর জন্য সামান্য ঈদ উপহার দিয়েছি। এখনো সম্ভব হলে তাদের পাশে দাঁড়ান।
কারণ, বন্যাপরবর্তী অবস্থাটা আরও ভয়ঙ্কর, দুর্বিষহ। ত্রাণ বিতরণের ক্ষেত্রে সুন্দর পরিবেশ সৃষ্টি করার জন্য ‘রিচ অ্যান্ড কিং’-এর প্রতিষ্ঠাতা মো. রমিনূল হক সায়াদকে আন্তরিক ধন্যবাদ। ধন্যবাদ শাহনূর ফাউন্ডেশনের পাশে থাকার জন্য।’
সায়াদ বলেন, ‘সুনামগঞ্জের বাদশাগঞ্জ মূলত আমার এলাকা। এ গ্রামের মানুষ আমার অতি আপনজন। তাই তাদের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি শাহনূর ফাউন্ডেশনের মধ্য দিয়ে। এটাই আমার একান্ত ভালো লাগা।
সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন যেন আগামীতেও অন্য কোনো ফাউন্ডেশন বা সমিতির মাধ্যমে মানুষের পাশে থাকতে পারি।’
এদিকে শাহনূর এরই মধ্যে একটি হাসপাতালের বিজ্ঞাপনে মডেল হিসেবে কাজ করেছেন কিংবদন্তী চলচ্চিত্র পরিচালক কাজী হায়াতের সঙ্গে।
এছাড়াও তার অভিনীত ওমর সানীর বিপরীতে রফিক সিকদার পরিচালিত ‘বসন্ত বিকেল’ সিনেমাটিও শিগগিরই মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।
সরকারি অনুদানে নির্মিত ‘কাকতাড়ুয়া’ সিনেমাটি হয়তো আর কোনোদিনই আলোর মুখ দেখবে না। কারণ এটি যে মুক্তি পাবে, তা নিয়ে আর কোনো আশার আলো দেখা যাচ্ছে না। ‘কাকতাড়ুয়া’ নির্মাণ করেছেন ফারুক হোসেন।
আজ থেকে এক দশকেরও বেশি সময় আগে ফারুক হোসেন সরকারী অনুদান পেয়েছিলেন। এর গল্প সেলিনা হোসেনের। এই সিনেমাটি যথাসময়ে মুক্তি পেলে তা শাহনূরের চলচ্চিত্র জীবনের জন্য সিগনেচার সিনেমা হয়ে থাকতো।