বিএমইউর শিক্ষা ও গবেষণায় যুগান্তকারী পরিবর্তনের লক্ষ্যে ই-আইআরবি চালু

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: জানুয়ারি ৩১, ২০২৬, ০৬:১০ পিএম

বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএমইউ) ই-আইআরবি (ইলেকট্রনিক ইনস্টিটিউশনাল রিভিউ বোর্ড) চালু করা হয়েছে। 

শনিবার শহীদ ডা. মিল্টন হলে ‘ই-আইআরবি ইন বাংলাদেশ মেডিক্যাল ইউনিভার্সিটি: ইনোভেটিং রিসার্চ’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। 

পেপারলেস ও পরিবেশবান্ধব এ উদ্যোগ বিএমইউর গবেষণা ও শিক্ষার মান উন্নয়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ অটোমেশন পদক্ষেপ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএমডিসির সভাপতি অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, কোনো উদ্যোগ নিয়ে চূড়ান্ত লক্ষ্যে পৌঁছাতে হলে যোগ্য উত্তরাধিকার অবশ্যই তৈরি করতে হবে। 

বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্যখাত ও বায়োমেডিক্যাল গবেষণার ৮৫ শতাংশ থেকে কার্যত সুফল পাওয়া যায় না। এ অবস্থার পরিবর্তন ঘটাতে হবে। কারণ গবেষণায় প্রচুর অর্থ ব্যয় হয়, তাই সেটি যেন মানুষের কাজে লাগে তা বিবেচনা করতে হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিএমআরসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. সায়েবা আখতার বলেন, কাজে জবাবদিহি থাকতে হবে এবং জীবনে মূল্যবোধকে ধারণ করতে হবে। একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাকে এগিয়ে নিতে এর সাথে জড়িত সকলের সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

বিএমইউর প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, বিএমইউর বর্তমান প্রশাসন ই-লক বুক ও ডিজিটাল ক্লাস চালুর উদ্যোগসহ অটোমেশন কার্যক্রম দ্রুতগতিতে এগিয়ে নিচ্ছে। ই-আইআরবি চালুর ফলে টন টন কাগজের আর প্রয়োজন হবে না, যা পরিবেশ রক্ষায় অবদান রাখবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. নাহরীন আখতার বলেন, ই-আইআরবি গবেষণা প্রক্রিয়া সংরক্ষণ ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে বিশেষ ভূমিকা রাখবে। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন ফিজিক্যাল মেডিসিন অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মো. আব্দুস শাকুর ও আইসিটি সেলের পরিচালক অধ্যাপক ডা. একেএম আখতারুজ্জামান। 

মাইক্রোবায়োলজি অ্যান্ড ইমিউনোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. শাহেদা আনোয়ারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন, বিভাগীয় চেয়ারম্যান ও শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ই-আইআরবি চালুর ফলে গবেষণা প্রস্তাব অনলাইনে জমা দেওয়ায় অনুমোদনের সময় কমবে এবং দ্রুত সিদ্ধান্ত পাওয়া যাবে। এতে প্রশাসনিক ব্যয় কমার পাশাপাশি গবেষণার মান আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে। এর মাধ্যমে গবেষণার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বৃদ্ধি পাবে এবং আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশনার সুযোগ বাড়বে।

ইএইচ