আজ ৮ মে বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবস। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালিত হবে। থ্যালাসেমিয়া রোগ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং রোগ প্রতিরোধে জনসচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে প্রতি বছর বিশ্বব্যাপী এ দিবস পালন করা হয়।
এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে-‘আর নয় আড়ালে : শনাক্ত হোক অজানা রোগী, পাশে দাঁড়াই অবহেলিতদের’।
দিবসটি উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশে প্রায় দুই কোটি মানুষ থ্যালাসেমিয়ার জিন-বাহক বলে ধারণা করা হয়। বিষয়টি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে এখনই কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় সরকার ‘প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ উত্তম’ নীতি অনুসরণ করছে এবং থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধে এ নীতিই সবচেয়ে কার্যকর।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার একটি জনমুখী ও আধুনিক স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে নিরলসভাবে কাজ করছে। রোগীর স্বাস্থ্যসংক্রান্ত তথ্য সংরক্ষণে নাগরিকদের জন্য ‘ই-স্বাস্থ্য কার্ড’ চালুর পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পথে রয়েছে।
তিনি জানান, ‘ই-স্বাস্থ্য কার্ড’ চালু হলে নাগরিকরা নিজেদের স্বাস্থ্যসংক্রান্ত হালনাগাদ তথ্য সহজেই জানতে পারবেন। পাশাপাশি রোগী গ্রাম বা শহর-যেখানেই চিকিৎসা নিন না কেন, এই কার্ডের মাধ্যমে চিকিৎসক দ্রুত প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যতথ্য জানতে পারবেন।
এম জি