৬ মাসের কম বয়সি হাম রোগীর সংখ্যা বাড়ছে

আমার সংবাদ ডেস্ক প্রকাশিত: মে ২২, ২০২৬, ০৫:৩৫ পিএম

দেশজুড়ে এখনো নিয়ন্ত্রণে আসেনি হাম পরিস্থিতি। গত দুই মাস ধরে সংক্রমণ অব্যাহত থাকায় উদ্বেগ বাড়ছে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মধ্যে। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, সারা দেশে হাম ও হামের উপসর্গে প্রাণ হারিয়েছেন প্রায় ৫০০ জন। আক্রান্তের সংখ্যা পৌঁছেছে প্রায় ৬০ হাজারে।

সংক্রমণ ঠেকাতে গত ২০ এপ্রিল দেশব্যাপী বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু করা হয়। এর আগে ১২ এপ্রিল চারটি সিটি করপোরেশন এলাকায় এবং ৫ এপ্রিল উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা ৩০ উপজেলায় টিকা কার্যক্রম চালু হয়েছিল। এরপর টিকা গ্রহণযোগ্য বয়সের শিশুদের মধ্যে আক্রান্তের হার কিছুটা কমেছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

তবে নতুন উদ্বেগ তৈরি হয়েছে ৬ মাসের কম বয়সি শিশুদের নিয়ে। এই বয়সের শিশুরা নিয়মিত টিকাদানের আওতায় না থাকায় তাদের মধ্যে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। রাজধানীর হাসপাতালগুলোতেও এমন রোগীর চাপ আগের মতোই রয়েছে।

অন্যদিকে, চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরছে অনেক শিশু। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের মতে, সুস্থ হওয়ার পরও দীর্ঘমেয়াদি পর্যবেক্ষণে রাখা জরুরি। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. মোশতাক হোসেন বলেছেন, হাম থেকে সেরে ওঠার পরও শিশুদের স্বাস্থ্যঝুঁকি পুরোপুরি শেষ হয় না। পরবর্তীতে নানা জটিলতা দেখা দিতে পারে, তাই নিয়মিত ফলোআপ প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, অপুষ্টিতে ভোগা ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য বাড়তি সামাজিক সহায়তা নিশ্চিত করা দরকার। একই সঙ্গে শিশুদের পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী, হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফেরার পর আক্রান্ত শিশুদের অন্তত এক মাস আলাদা পর্যবেক্ষণে রাখা উচিত, যাতে সংক্রমণ ছড়িয়ে না পড়ে এবং শিশুর শারীরিক অবস্থাও নজরদারিতে থাকে।

এম জি