ভারতের রাজস্থানের জোধপুরে হিন্দু রীতি-নীতি মেনে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন ইউক্রেনীয় দম্পতি স্তানিস্লাভ (৭২) ও আনহেলিনা (২৭)।
চার বছর একসঙ্গে বসবাসের পর তারা বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেন। জয়পুর ও উদয়পুরের পরিবর্তে শেষ পর্যন্ত রাজকীয় শহর জোধপুরকেই বেছে নেন তারা।
বিলাসবহুল এক হোটেলে আয়োজিত এই বিয়েতে সম্পন্ন হয় হলুদ, বিয়ের শোভাযাত্রা, পানিগ্রহণ, হাতলেভা ও সাত পাকে জীবনের প্রতিজ্ঞাসহ সব অনুষ্ঠান। পুরোহিতের পরিচালনায় হিন্দু ঐতিহ্য অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হয় বিয়ের সব আনুষ্ঠানিকতা।
ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, বর স্তানিস্লাভ ঐতিহ্যবাহী শেরওয়ানি ও পাগড়ি পরেছিলেন, আর কনে আনহেলিনা ছিলেন মারওয়ারি বধূবেশে।
পরিবারের সদস্য, বন্ধুবান্ধব, অতিথি ও স্থানীয়রা অংশ নেন আনন্দঘন এ আয়োজনে।
রাজপ্রাসাদ, বর্ণাঢ্য সংস্কৃতি ও রাজকীয় আয়োজনের জন্য পরিচিত জোধপুরে প্রায়ই জাঁকজমকপূর্ণ বিয়ের অনুষ্ঠান হয়ে থাকে। তবে বয়সের বিশাল পার্থক্য ও ভিন্ন সংস্কৃতির কারণে এই আন্তর্জাতিক দম্পতির বিয়ে এবার বিশেষভাবে আলোচনায় এসেছে।
এনডিটিভি রাজস্থানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দম্পতির বিয়ের ভিডিও ইতোমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। কেউ তাদের হিন্দু রীতি মেনে বিয়ের সিদ্ধান্তকে অভিনন্দন জানিয়েছেন, আবার অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন কেন তারা ভারতীয় প্রথা অনুসরণ করলেন।
বিশাল বয়স ব্যবধানও অনলাইনে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে অনেকেই মন্তব্য করেছেন—ভালোবাসা বয়স বা সংস্কৃতির সীমারেখা মানে না। স্তানিস্লাভ ও আনহেলিনা প্রমাণ করেছেন, সম্পর্কের বন্ধনই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, আর সেই বন্ধনকেই তারা বিয়ের মাধ্যমে উদযাপন করেছেন।
ইএইচ