যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটনে আয়োজিত হোয়াইট হাউস সংবাদদাতাদের বার্ষিক নৈশভোজে গুলির শব্দ শোনার ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে এ ঘটনাকে ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনা বা সম্ভাব্য যুদ্ধ পরিস্থিতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে মনে করছেন না মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
শনিবার রাতে একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত ওই অনুষ্ঠানে হঠাৎ গুলির শব্দ শোনা গেলে তাৎক্ষণিকভাবে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। যুক্তরাষ্ট্রের সিক্রেট সার্ভিস এবং ন্যাশনাল গার্ড সদস্যরা দ্রুত প্রেসিডেন্টকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন মেলানিয়া ট্রাম্প, জেডি ভ্যান্স, মার্কো রুবিও এবং পিট হেগসেথ। পরে নিশ্চিত করা হয়, তারা সবাই নিরাপদে রয়েছেন।
ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় ট্রাম্প জানান, সন্ধ্যাটি মোটের ওপর ভালোই কেটেছে। নিরাপত্তা শঙ্কা থাকা সত্ত্বেও অনুষ্ঠান চালিয়ে নেওয়ার পক্ষেও মত দেন তিনি। একই সঙ্গে সন্দেহভাজন ব্যক্তির ছবি ও নজরদারি ক্যামেরার ফুটেজও প্রকাশ করেন, যেখানে তাকে নিরাপত্তা বলয় অতিক্রম করতে দেখা যায়।
পরবর্তীতে হোয়াইট হাউসে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প ওই হামলাকারীকে ‘একক’ এবং ‘সম্ভাব্য আততায়ী’ হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি দাবি করেন, সন্দেহভাজন ব্যক্তি মানসিকভাবে অসুস্থ হতে পারেন। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, এই গুলির ঘটনার সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক দেখছেন না। এমনকি তিনি এটাও উল্লেখ করেন যে, এ ধরনের ঘটনা তাকে ইরান ইস্যুতে তার অবস্থান থেকে সরাতে পারবে না।
এদিকে জানা গেছে, সন্দেহভাজন হামলাকারী ক্যালিফোর্নিয়ার বাসিন্দা। তার বাসায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে এবং পুরো বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। নৈশভোজ অনুষ্ঠানটি সাময়িকভাবে স্থগিত করা হলেও শিগগিরই তা পুনরায় আয়োজন করা হবে বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প।
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস
এএন