যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক হুমকির জবাবে কঠোর অবস্থানের ইঙ্গিত দিয়েছে ইরান। দেশটির প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রকে হুমকির ভাষা পরিহার করতে হবে, অন্যথায় ইরান প্রয়োজনীয় জবাব দিতে প্রস্তুত।
রোববার দেওয়া এক বক্তব্যে গালিবাফ বলেন, ওয়াশিংটনের হুমকিকে তেহরান গুরুত্ব দেয় না। তাঁর দাবি, এসব হুমকি কার্যকর হলে যুক্তরাষ্ট্রকে বর্তমান পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হতো না। একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেন, ইরানের সশস্ত্র বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের বক্তব্যে সংযত হওয়া উচিত।
এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, লেবাননে ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহকে অবিলম্বে তাদের তৎপরতা বন্ধ করতে হবে। অন্যথায় যুক্তরাষ্ট্র আগের চেয়েও শক্তিশালী সামরিক হামলা চালাবে।
ট্রাম্পের এই মন্তব্যের পর মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। বিশ্লেষকদের মতে, হিজবুল্লাহ ও ইসরায়েলকে ঘিরে চলমান উত্তেজনা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। তবে রোববার সন্ধ্যা পর্যন্ত বড় ধরনের কোনো নতুন হামলার খবর পাওয়া যায়নি।
এদিকে সাম্প্রতিক সমঝোতার পর সুইজারল্যান্ডে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আলোচনা চলমান রয়েছে। এই আলোচনায় মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে পাকিস্তান ও কাতার। তবে ইরানের রাষ্ট্রীয় ঘনিষ্ঠ ফার্স সংবাদ সংস্থা দাবি করেছে, ট্রাম্পের হুমকির জেরে আলোচনা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। যদিও এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, চলতি মাসে স্বাক্ষরিত সমঝোতায় উভয় দেশ একে অপরের বিরুদ্ধে শক্তি প্রয়োগ বা হুমকি থেকে বিরত থাকার অঙ্গীকার করেছিল।
এম জি