ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, দেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতার অন্যতম ভিত্তি হলো ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি। এই সক্ষমতা না থাকলে ইরানের পরিস্থিতিও গাজার মতো হতে পারত বলে মন্তব্য করেন তিনি।
পাকিস্তান সফরকালে দেওয়া বক্তব্যে পেজেশকিয়ান বলেন, ইরানের হাতে প্রতিরক্ষামূলক ক্ষেপণাস্ত্র না থাকলে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র দেশটিকে গাজার মতো ধ্বংস করে দিতে পারত। তিনি দাবি করেন, সেক্ষেত্রে শিশু, তরুণ বা বৃদ্ধ-কেউই রেহাই পেত না।
সংবাদমাধ্যম আল-আরাবিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে কোনো ধরনের আপসের সুযোগ নেই বলেও স্পষ্ট করেন তিনি। পেজেশকিয়ানের ভাষায়, আত্মরক্ষার সক্ষমতার প্রশ্নে ইরান কোনো পরিস্থিতিতেই সমঝোতায় যাবে না।
এর আগে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের আমন্ত্রণে সরকারি সফরে ইসলামাবাদে পৌঁছান প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। একই সময়ে পৃথক ফ্লাইটে পাকিস্তানে যান ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচিও।
পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম ডনের প্রতিবেদনে জানানো হয়, পেজেশকিয়ান তেহরান থেকে সরাসরি ইসলামাবাদে পৌঁছান। অন্যদিকে ওমানে কূটনৈতিক সফর শেষে পাকিস্তানে আসেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি।
রাওয়ালপিন্ডির নূর খান বিমানঘাঁটিতে ইরানের প্রেসিডেন্টকে স্বাগত জানান পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি, প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ, উপ-প্রধানমন্ত্রী ইসহাক দার, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নাকভি, পিপিপি চেয়ারম্যান বিলাওয়াল ভুট্টো-জারদারি এবং পাকিস্তানে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত রেজা আমীরি মোগাদ্দাম।
এদিকে ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশনের খবরে বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ানকে অভ্যর্থনা জানাতে নূর খান বিমানঘাঁটিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচিও উপস্থিত ছিলেন।
এম জি