খামেনির মরদেহ নেওয়া হবে ঐতিহাসিক কারবালায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশিত: জুলাই ২, ২০২৬, ০৬:৩৭ পিএম

ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির রাষ্ট্রীয় শেষ বিদায়ের প্রস্তুতি চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। দেশটির বিভিন্ন শহরের পাশাপাশি ইরাকের ঐতিহাসিক কারবালায়ও নেওয়া হবে তার মরদেহ। ইরানি কর্তৃপক্ষের ধারণা, এ আয়োজন দেশটির ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ জানাজায় পরিণত হতে পারে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ৮৬ বছর বয়সে নিহত হন আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষ বিদায় জানাতে ছয়টি শহরে ধারাবাহিক কর্মসূচি রাখা হয়েছে। এর মধ্যে ইরাকের পবিত্র শহর কারবালাও রয়েছে, যা শিয়া মুসলিমদের কাছে ইসলামের ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্থান।

আগামী ৪ জুলাই শনিবার থেকে আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি শুরু হবে। ওই দিন রাজধানী তেহরানের নির্মাণাধীন ইমাম খোমেনি মসজিদ কমপ্লেক্সে খামেনির মরদেহ রাখা হবে। এরপর ৬ জুলাই সোমবার তেহরানের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে তার মরদেহ বহন করা হবে, যাতে সাধারণ মানুষ শেষ শ্রদ্ধা জানানোর সুযোগ পান।

পরদিন ৭ জুলাই মরদেহ নেওয়া হবে পবিত্র শহর কোমে। এরপর পর্যায়ক্রমে ইরাকের নাজাফ ও ঐতিহাসিক কারবালায় নেওয়া হবে। সবশেষে ৯ জুলাই তার জন্মস্থান মাশহাদে মরদেহ পৌঁছাবে। সেখানেই রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাকে দাফন করা হবে।

ইরানের এই রাষ্ট্রীয় শেষ বিদায় অনুষ্ঠানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে প্রতিনিধিদের অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। ইরানি কর্তৃপক্ষের ধারণা, খামেনিকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে দুই কোটিরও বেশি মানুষ সমবেত হতে পারেন।

বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজউদ্দিন আহমেদের অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে। এছাড়া পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ অংশ নেবেন বলে জানানো হয়েছে। ইরান ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকেও রাষ্ট্রীয় জানাজায় অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছে। তবে তিনি অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন- এমন সম্ভাবনা কম বলেই জানা গেছে।

এএন