ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মরদেহ বহনকারী কফিন কোনো পূর্বঘোষণা ছাড়াই সেই স্থানে নেওয়া হয়েছে, যেখানে তিনি নিহত হয়েছিলেন। এ তথ্য নিশ্চিত করেছে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরান ব্রডকাস্টিং (আইআরআইবি)।
গণমাধ্যমটি জানায়, বিশেষ ও অঘোষিত এক কর্মসূচির মাধ্যমে খামেনির মরদেহ হত্যাস্থলে নেওয়া হয়। এ বিষয়ে আগাম কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি।
এদিকে খামেনির বিদায় অনুষ্ঠানকে ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। সংস্থাটির ধারণা, রাজধানী তেহরানে ৪ ও ৫ জুলাই অনুষ্ঠিতব্য বহুদিনব্যাপী গণবিদায় অনুষ্ঠানে প্রায় ২ কোটি মানুষের সমাগম হতে পারে।
খামেনির মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। ইরান সরকারের পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে জানানো হয়, তিনি ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন।
ফোনালাপে গুতেরেস খামেনির শাহাদাতে শোক প্রকাশের পাশাপাশি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। আলোচনায় হরমুজ প্রণালির পরিস্থিতি, লেবাননের যুদ্ধবিরতি এবং চলমান বিভিন্ন কূটনৈতিক ইস্যুও উঠে আসে।
অন্যদিকে, ঘানায় অবস্থিত ইরানি দূতাবাসও খামেনির স্মরণে বিশেষ শ্রদ্ধা জানিয়েছে। দূতাবাসের এক্স পোস্টে ২০১৬ সালে তেহরানে তৎকালীন ঘানার রাষ্ট্রপতি জন ড্রামানি মাহামার সঙ্গে খামেনির বৈঠকের কথা স্মরণ করা হয়।
পোস্টে উল্লেখ করা হয়, ওই বৈঠকে খামেনি তেল চুক্তি বা বাণিজ্যিক সমঝোতার পরিবর্তে আফ্রিকার সামগ্রিক পরিস্থিতি ও সেখানকার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছিলেন।
এম জি