গত ২-৭-২৫ তারিখে বাদী শারমিন সুলতানা চাঁদনী বাদী হয়ে একটি থানায় অভিযোগ করেন। সেটি তদন্তের ভার দেওয়া হয় এসআই আরবীকুল ইসলামকে। বাদীর অভিযোগে বিবাদী মনির সর্দার, তার শাশুড়িসহ মোট চারজনের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়।
বাদীর অভিযোগ ছিল, তারা কয়েকজন দোকানদার ২৫ বছর যাবৎ দোকান করে আসছে। দোকানের সামনে বালু ফেলে এবং সরকারি রাস্তার কিছু অংশ বন্ধ করে উক্ত বিবাদীরা জনগণের ভোগান্তি সৃষ্টি করছে এবং দোকানদারদের জীবন অতিষ্ঠ করে তুলছে। উক্ত সময়ে কয়েকটি পত্রিকায়ও বিষয়টি নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়।
ওসি অভিযোগ প্রাপ্তি সাপেক্ষে এসআই আরবীকুল ইসলামকে তদন্তের দায়িত্ব দেন। তবে ঘটনার তদন্ত করা তদন্ত কেন্দ্রেরই দায়িত্ব। যিনি অভিযোগ করেছেন, অর্থাৎ ভুক্তভোগী, তিনি থানায় আসতে পারেন এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু যিনি জনগণের ভোগান্তি দিচ্ছেন বা দোকান বন্ধ করে দিচ্ছেন, তিনি কেন থানায় আসবেন?
অভিযোগের বর্ণনা অনুযায়ী, যিনি অভিযুক্ত, তিনি নিজেই দোকান বন্ধ করে দিচ্ছেন তাহলে তিনি থানায় আসবেন কেন? তিনি যদি থানায় এসে থাকেন, তাহলে কি দোকান দখলের উদ্দেশ্যে বা অন্যায় আবদার নিয়ে এসেছিলেন?
আমি স্পষ্টভাবে জানাচ্ছি, ‘মনির সর্দারের সঙ্গে আমার কোনো কথাই হয়নি, আমি তাকে কখনোই দেখি নাই এবং আমি চিনি না। সানোয়ারকে মামলা দেওয়ায় অভিযোগ নেওয়া হয়নি এই বক্তব্যও ভিত্তিহীন।’
যিনি আমার আসার আগে ২৩-১০-২০২৪ তারিখে গ্রেপ্তার হয়ে জামিন পেয়েছেন এবং এরপর থেকে এলাকায় বসবাস করছেন না, তাকে আমি চিনি না। ওসি জাহিদের সময় গ্রেফতার হয়ে যিনি বর্তমানে ঢাকায় আছেন, তাঁর জন্য নাকি মামলা নেওয়া হয়নি এই ধরনের অভিযোগ সম্পূর্ণ অমূলক।
যাকে আমি চিনি না, জানি না, তাঁর নাম জড়িয়ে বক্তব্য প্রদান করা কতটুকু যুক্তিসংগত ও হাস্যকর, তা জনগণই বিচার করবে।
পরবর্তীতে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে ভুক্তভোগী গিয়েছেন, সেই আলোকে উভয় পক্ষকে ডাকা হয়েছে। এটি সম্পূর্ণ পুলিশ সুপার কার্যালয়ের বিষয়। আমি সে বিষয়ে কিছু জানি না। থানার ওসির কাজ শুধু অভিযোগটি একজন এসআই-এর নামে ইন্ডোস করা এর বেশি কিছু নয়।
ইএইচ