প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ বলেন,বিচার বিভাগ ব্যর্থ হলে, রাষ্ট্র ও গণতন্ত্র ব্যর্থ হয়ে যায়। তখন সংবিধানও নির্বাক হয়ে যায়। আর এ কারণে মানুষের প্রত্যাশা ধ্বংস হয়।
শনিবার রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশনে’ এসব কথা বলেন ।
প্রধান বিচারপতি বলেন, জুলাই বিপ্লব সংবিধান উৎখাত করতে নয়, বরং এর সঙ্গে সম্পর্ক বিশুদ্ধ করতে উদ্দীপ্ত হয়েছিল। স্বচ্ছতা, জবাবদিহি, জনসাড়া– এ তিন গুণ জনমানসে প্রধান সুর হয়ে উঠেছিল।
প্রধান বিচারপতি আরও বলেন, বিশ্বজুড়ে সংকট ও অস্থিরতার সময় বিচার বিভাগকে সবচেয়ে বড় পরীক্ষার মধ্য দিয়ে যেতে হবে। বিচার বিভাগের সংস্কার শুধু সৌন্দর্যবর্ধন নয়– এটি রাষ্ট্রের ন্যায় ও গণতন্ত্রকে টিকিয়ে রাখার সংগ্রাম। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরের সংস্কার রোডম্যাপ আদালতের প্রশাসনিক দুর্বলতা চিহ্নিত করে একটি আধুনিক, নৈতিক ও দক্ষ বিচার ব্যবস্থার ভিত্তি গড়ে তুলেছে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ যখন পুনরায় রাজনৈতিক ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে, তখন বিচার বিভাগকে নীতিগতভাবে স্থির থাকতে হবে। তবে বিশ্বের পরিবর্তনশীল বাস্তবতার প্রতিও আমাদের সতর্ক থাকতে হবে।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন, সিজিএস’র প্রেসিডেন্ট জিল্লুর রহমান ও নির্বাহী পরিচালক পারভেজ করিম আব্বাসী।
গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আন্তর্জাতিক সম্মেলন ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশনের আয়োজন করে। চতুর্থবারের মতো আয়োজিত তিন দিনব্যাপী এ সম্মেলনে ৮৫টি দেশের ২০০ জন আলোচক, ৩০০ জন ডেলিগেট এবং এক হাজারের বেশি অংশগ্রহণকারী যোগ দিয়েছেন।
জেএইচআর