ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের (এনটিএমসি) সাবেক মহাপরিচালক মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানকে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও ১২০ কোটি টাকার অস্বাভাবিক ব্যাংক লেনদেনের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
বুধবার দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজ এই আদেশ প্রদান করেন।
দুদকের উপ-পরিচালক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. হাফিজুল ইসলাম জিয়াউল আহসানকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। আদালতে দাখিল করা আবেদনে উল্লেখ করা হয়, আসামি বর্তমানে আদাবর থানার একটি মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন। দুদকের মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাঁকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো আবশ্যক।
গত বছরের ২৩ জানুয়ারি দুদকের তৎকালীন উপ-পরিচালক মো. সালাউদ্দিন বাদী হয়ে জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থ পাচারের অভিযোগে এই মামলাটি দায়ের করেছিলেন।
মামলার উল্লেখযোগ্য অভিযোগগুলো হলো- সাবেক এই সেনা কর্মকর্তার নামে ২২ কোটি ২৭ লাখ ৭৮ হাজার ১৪২ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের তথ্য পেয়েছে দুদক ও আটটি সক্রিয় ব্যাংক হিসাবে প্রায় ১২০ কোটি টাকার অস্বাভাবিক লেনদেনের প্রমাণ পাওয়া গেছে, অনুমোদিত সীমা লঙ্ঘন করে নিজের ব্যাংক হিসাবে ৫৫ হাজার মার্কিন ডলার জমা করার অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে, ক্ষমতার অপব্যবহার করে স্ত্রী নুসরাত জাহানের সহযোগিতায় বিপুল পরিমাণ অর্থ বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামে স্থানান্তর ও রূপান্তরের অভিযোগ আনা হয়েছে।
দুদকের দাবি, উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা থাকাকালীন ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে জিয়াউল আহসান দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন এবং দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।
জেএইচআর