মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় সাবেক মন্ত্রী কামরুল ইসলামকে হাসপাতালে থেকে ট্রাইব্যুনালে আনার ঘটনায় নাটকীয় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। অসুস্থতার অজুহাত দেখিয়ে প্রথমে তিনি ট্রাইব্যুনালে যেতে অস্বীকৃতি জানালেও দুই ঘণ্টার মধ্যেই তাকে হাজির করা হয়।
বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় থাকা কামরুল ইসলামকে ট্রাইব্যুনালে নেওয়ার উদ্যোগ নেয় কারা কর্তৃপক্ষ। তবে শুরুতে তিনি যেতে অনীহা প্রকাশ করেন বলে জানা গেছে।
পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠলে বিষয়টি ট্রাইব্যুনালের রেজিস্ট্রার ও চিফ প্রসিকিউটরের কাছে জানানো হয়। পরে প্রসিকিউশন কর্তৃপক্ষ নির্দেশ দেয়, যেকোনো মূল্যে তাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করতে হবে।
এরপর প্রায় দুই ঘণ্টার ব্যবধানে সাবেক এই মন্ত্রীকে ট্রাইব্যুনালে আনা হয়।
আজই তার বিরুদ্ধে চলমান মামলায় অভিযোগ গঠনের বিষয়ে আদেশ দেওয়ার কথা রয়েছে ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলের।
মামলার নথি অনুযায়ী, কামরুল ইসলাম ও অপর আসামির বিরুদ্ধে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় সংঘটিত হত্যাকাণ্ডসহ একাধিক অভিযোগ আনা হয়েছে। প্রসিকিউশনের দাবি, আন্দোলন দমনে তারা প্ররোচনা ও ভূমিকা রেখেছিলেন।
অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা দাবি করেছেন, অভিযোগের পক্ষে কোনো শক্ত প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেনি প্রসিকিউশন। তাই তাদের অব্যাহতির আবেদনও জানানো হয়েছে।
এর আগে গত ২ মার্চ অভিযোগ গঠনের শুনানি শেষ করে প্রসিকিউশন। চলমান এই মামলাটি এখন পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ আদেশের অপেক্ষায় রয়েছে।
এএন