সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হককে নতুন কোনো মামলায় গ্রেফতার বা হয়রানি না করার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়েছে।
বুধবার ১৩ মে সুপ্রিম কোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় আইনজীবী মোনায়েম নবী শাহীন এ রিট দায়ের করেন।
রিটে বলা হয়েছে, এফআইআরে নাম না থাকা সত্ত্বেও বিচারপতি খায়রুল হককে একের পর এক মামলায় গ্রেফতার দেখানো অবৈধ ও বেআইনি কেন ঘোষণা করা হবে না-সে মর্মে রুল জারির আবেদন করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিচারাধীন অবস্থায় তাকে অন্য কোনো মামলায় গ্রেফতার না দেখানোর নির্দেশনাও চাওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার ১৪ মে বিচারপতি রাজিক-আল-জলিল এবং বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এ রিটের শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।
এর আগে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত দুটি হত্যা মামলায় ১২ মে হাইকোর্ট থেকে জামিন পান খায়রুল হক। আদেশের পর তার আইনজীবীরা জানান, সব মামলায় জামিন পাওয়ায় তার মুক্তিতে আপাতত কোনো আইনি বাধা নেই। তবে রাষ্ট্রপক্ষ ওই জামিন আদেশ স্থগিত চেয়ে বুধবার আপিল বিভাগে আবেদন করেছে।
গত ২৮ এপ্রিল জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় যুবদলকর্মী হত্যা, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের রায় জালিয়াতি এবং দুদকের দায়ের করা পাঁচ মামলায় খায়রুল হকের জামিন বহাল রাখে আপিল বিভাগ।
এর আগে ৮ মার্চ হাইকোর্ট চার মামলায় তার জামিন মঞ্জুর করে রুল জারি করেন। পরে ১১ মার্চ দুদকের মামলায়ও তিনি জামিন পান। ওই জামিন স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে আবেদন করলেও তা খারিজ হয়ে যায়।
পরবর্তীতে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানায় দায়ের করা আরিফ হত্যা মামলা এবং আদাবর থানার রুবেল হত্যা মামলায় খায়রুল হককে গ্রেফতার দেখানো হয়। নিম্ন আদালতে জামিন না পেয়ে তিনি হাইকোর্টে আবেদন করলে ১২ মে ওই দুই মামলাতেও জামিন পান।
বর্তমানে তার বিরুদ্ধে মোট সাতটি মামলা রয়েছে। গত বছরের ২৪ জুলাই রাজধানীর ধানমন্ডির বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে যুবদলকর্মী আবদুল কাইয়ুম আহাদ হত্যা মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়।
এম জি