কুষ্টিয়া-২ (মিরপুর-ভেড়ামারা) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, জেলা বিএনপি’র সাবেক সভাপতি ও বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক শহীদুল ইসলাম বলেছেন, স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে দেশে বিচারবহির্ভূত হত্যা-কাণ্ডের ফলে ব্যাপক সংখ্যক মানুষ নৃশংসতার শিকার হয়েছেন। ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত রক্ষাবাহিনীসহ বিভিন্ন বাহিনীর নির্মমতা মধ্যযুগীয় বর্বরতাকেও হার মানিয়েছে। এই সময়ে প্রায় দুই লাখ মানুষ নিহত হন।
অধ্যাপক শহীদুল ইসলাম বলেন, রাজনীতিক হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যেখানে ব্যর্থ হয়েছেন, সেখানে জিয়াউর রহমান ছিলেন সফল। তিনি দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন এবং অর্থনীতির ভিত্তি সুদৃঢ় করেন। শেখ মুজিবের ব্যর্থতার কারণে জিয়াউর রহমান রাজনীতিতে প্রবেশ করতে সক্ষম হন।
তিনি আরও বলেন, “আওয়ামী লীগ একটি মানবতাবিরোধী দল। গণহত্যার সঙ্গে তারা শুরু থেকেই জড়িত। শেখ মুজিব বাকশাল কায়েম করে মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছিলেন। শহীদ জিয়ারের কারণে জামায়াত আজ রাজনীতি করার সুযোগ পেয়েছে। এজন্য বিএনপির প্রতি জামায়াতের কৃতজ্ঞ থাকা উচিত। কিন্তু তারা বিএনপিকেই ক্ষতি করতে চেষ্টা করছে।”
অধ্যাপক শহীদুল ইসলাম যোগ করেন, “বিগত ১৭ বছরে বিএনপির নেতাকর্মীরা জেল-জুলুম ও নির্যাতন সহ্য করেছেন, তবুও দল ছেড়ে যাননি। দেশ নিয়ে আবারও ষড়যন্ত্র চলছে, তবে কোনো ষড়যন্ত্র সফল হবে না; জনগণ তা প্রতিহত করবে ইনশাআল্লাহ।”
এ সময় উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি হাজী আশরাফুজ্জামান শাহীন ও সাধারণ সম্পাদক খন্দকার টিপু সুলতান অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন। বক্তব্য রাখেন সিনিয়র সহ-সভাপতি খন্দকার ওমর ফারুক কুদ্দুস, সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল হক বাবু, পৌর সভাপতি আব্দুর রশিদ, দপ্তর সম্পাদক মারফত আফ্রিদী, প্রচার সম্পাদক বিল্লাল হোসেন, যুবদলের আহ্বায়কসহ অন্যান্য নেতা-কর্মীরা।
ইএইচ