রাজধানীর পল্টনে ইনকিলাব মঞ্চের সংগঠক ও জুলাই যোদ্ধা শরীফ উসমান হাদির ওপর গুলির ঘটনায় সারাদেশে জুলাই যোদ্ধাদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে শঙ্কা দেখা দিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে জুলাই যোদ্ধাদের মধ্যে সম্মুখসারির যারা উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছেন, তাদের বিষয়ে আলাদা করে ‘থ্রেট অ্যানালাইসিস’ করা হচ্ছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী হাই-প্রোফাইল ও ঝুঁকিপূর্ণ জুলাই যোদ্ধার জন্য বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রোববার বিকেলে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার এসএন নজরুল ইসলাম এই তথ্য জানান।
তিনি বলেন, ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদিকে চাঞ্চল্যকর এই হত্যাচেষ্টার ঘটনায় ইতোমধ্যে তিনজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করা হয়েছে। এছাড়াও ঢাকাসহ সারাদেশের জুলাই যোদ্ধাদের নিরাপত্তার বিষয়টি নিয়ে নতুন করে পরিকল্পনা সাজাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
জুলাই যোদ্ধাদের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে অতিরিক্ত কমিশনার নজরুল বলেন, “হাদি একজন নন দেশে হাজারো, লাখো জুলাই যোদ্ধা রয়েছেন। প্রত্যেকের জন্য আলাদা ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। তবে রাষ্ট্র ও রাজধানীর সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার করার পাশাপাশি যেসব সম্মুখ সারির জুলাই যোদ্ধা উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছেন, তাদের বিষয়ে আলাদা করে থ্রেট অ্যানালাইসিস করা হচ্ছে। প্রয়োজন অনুযায়ী হাই-প্রোফাইল ও ঝুঁকিপূর্ণ জুলাই যোদ্ধার জন্য বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
তিনি আরও বলেন, “ইনকিলাব মঞ্চের একজন শীর্ষ সংগঠক হিসেবে হাদি ছিলেন একটি পক্ষের প্রতিপক্ষ। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের পক্ষ থেকেই তাকে টার্গেট করে পরিকল্পিত হত্যাচেষ্টা চালানো হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।”
ইএইচ