গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার (সংশোধন) অধ্যাদেশ ২০২৫-এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ।
বৃহস্পতিবার প্রধান উপদেষ্টার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে জানানো হয়, নতুন এই সংশোধনীর ফলে কোনো ব্যক্তি কমপক্ষে ৫ বছর ধরে নিখোঁজ থাকলে এবং জীবিত ফিরে না আসলে ট্রাইব্যুনাল তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘ডিসাপিয়ার্ড’ বা ‘গুম’ ঘোষণা করতে পারবে।
অধ্যাদেশের খসড়ায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, সরকার ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার ট্রাইব্যুনাল’-এর জন্য মানবাধিকার কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগ দিতে পারবে। এছাড়া ভুক্তভোগী বা অভিযোগকারী ব্যক্তি চাইলে ব্যক্তিগত উদ্যোগেও ট্রাইব্যুনালে আইনজীবী নিয়োগ করার অধিকার পাবেন।
আর্থিক ও মানবিক দিক বিবেচনা করে অধ্যাদেশে আরও বলা হয়েছে যে, গুম হওয়া ব্যক্তির স্ত্রী বা তাঁর ওপর নির্ভরশীল পরিবারের সদস্যরা কমিশনের পূর্বানুমতি ছাড়াই গুম হওয়া ব্যক্তির সম্পত্তি ব্যবহার করতে পারবেন। গুম হওয়া ব্যক্তিদের পরিবারের সুরক্ষা ও অধিকার নিশ্চিত করতেই এই আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।
ইএইচ