ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে দেশব্যাপী সেনাবাহিনী সদস্যদের নিরলস দায়িত্বপালনে সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহণ সম্পন্নের পর বাংলাদেশ আর্মি একটি বার্তায় জানিয়েছে, ‘আপনাদের আস্থায় আমরা প্রস্তুত’।
বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ আর্মির ভেরিফায়েড অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজ থেকে একটি ফটোকার্ড শেয়ারের মাধ্যমে সেনাবাহিনী এ বার্তা দেয়।
সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে সারা দেশে মাঠে সেনাবাহিনী ছাড়াও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ৯ লাখের বেশি সদস্য দায়িত্ব পালন করেন। এর মধ্যে ছিল সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীসহ পুলিশ, র্যাব, কোস্টগার্ড, বিজিবি ও আনসার সদস্যরা। ভোটের দিন বিশেষ নিরাপত্তার জন্য ছিল কয়েক স্তরের স্ট্রাইকিং ফোর্স। সার্বিক নিরাপত্তা সমন্বয় হয় নির্বাচন সুরক্ষা অ্যাপের মাধ্যমে।
এর আগে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী জানানো হয়, আকাশপথে নজরদারির জন্য বিভিন্ন আইন প্রয়োগকারী সংস্থার ৪১৮টি ড্রোন ব্যবহার করা হবে। এর মধ্যে সেনাবাহিনী ২০০টি, বিজিবি ১০০টি, পুলিশ ৫০টি, কোস্টগার্ড ২০টি এবং নৌবাহিনী, র্যাব, আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী ১৬টি করে ড্রোন ব্যবহার করবে। বডি ক্যামেরা, ড্রোন এবং একটি কেন্দ্রীভূত নিরাপত্তা অ্যাপের মতো আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার করে নির্বাচনের সময় আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখা হবে।
তাছাড়া, পুলিশ সদর দপ্তর সূত্র জানায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৫ হাজার ৫০০ বডি ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহার করবে পুলিশ। এর মধ্যে ১৫ হাজার ক্যামেরা থাকবে অনলাইনে। ১০ হাজার অফলাইনে। অনলাইনে থাকা বডি ওর্ন ক্যামেরা দিয়ে লাইভ স্ট্রিমিং করা যাবে। এজন্য একটি স্বতন্ত্র সুরক্ষিত নেটওয়ার্ক গড়ে তুলছে পুলিশ সদর দপ্তর। সাইবার হামলার মাধ্যমে কোনো হ্যাকার যাতে এ অনলাইন নেটওয়ার্কে অনুপ্রবেশ করতে না পারে, সেজন্য শক্তিশালী নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করতে যাচ্ছে পুলিশ সদর দপ্তর। সন্দেহজনক কোনো ট্রাফিক এ নেটওয়ার্কে এলে অ্যালার্ট ও অটো ব্লকের ব্যবস্থা থাকবে। কোনো হ্যাকার হ্যাকিংয়ের চেষ্টা করলে তা প্রতিরোধের শক্তিশালী ব্যবস্থাও থাকছে।
এএন