অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মেয়াদে জারি করা গুরুত্বপূর্ণ ৪০টি অধ্যাদেশ নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করেছে জাতীয় সংসদের নবগঠিত বিশেষ কমিটি।
মঙ্গলবার সংসদ ভবনের কেবিনেট কক্ষে অনুষ্ঠিত কমিটির প্রথম সভায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান সংশ্লিষ্ট সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণসহ জনগুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন অধ্যাদেশ নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ করা হয়।
কমিটির সভাপতি জয়নুল আবেদীন এমপির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকের শুরুতে ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে এক মিনিট নীরবতা পালন ও বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
বিশেষ কমিটির এই বৈঠকে প্রশাসনিক ও জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বেশ কিছু অধ্যাদেশ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- জুলাই গণঅভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) অধ্যাদেশ, ২০২৬; গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ, ২০২৫; পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশ, ২০২৫ এবং দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫।
এছাড়া সরকারি চাকরিতে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বয়সসীমা নির্ধারণ অধ্যাদেশ, ২০২৪; জাতির পিতার পরিবার-সদস্যদের নিরাপত্তা (রহিতকরণ) অধ্যাদেশ, ২০২৪ এবং সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।
সংসদ সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, কমিটি এই অধ্যাদেশগুলোর প্রয়োজনীয়তা ও যথার্থতা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে একটি বিস্তারিত রিপোর্ট জাতীয় সংসদের অধিবেশনে পেশ করা হবে। অবশিষ্ট অধ্যাদেশগুলো নিয়ে পরবর্তী বৈঠকে আলোচনা করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ এমপি, চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম এমপি এবং আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান এমপি। এছাড়া ড. মুহাম্মদ ওসমান ফারুক এমপি, এ. এম. মাহবুব উদ্দিন এমপি, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী এমপি, মুহাম্মদ নওশাদ জমির এমপি, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন এমপি এবং সংসদ সচিবালয়ের সচিব কানিজ মওলাসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সভায় অংশ নেন।
জেএইচআর