মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আজম খান বলেছেন, দেশপ্রেমিক সরকারকে উচ্ছেদ করতে ফ্যাসিবাদী শক্তি ও একাত্তরের পরাজিতরা এক হয়ে নানা ধরনের ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, বিভিন্ন বিক্ষোভ ও দাবিদাওয়ার মাধ্যমে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
রোববার বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎবার্ষিকী উপলক্ষে আট দিনব্যাপী কর্মসূচির শেষ দিনে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের উদ্যোগে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশকে মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত চেতনায় গড়ে তোলার কাজ চলছে। তিনি দাবি করেন, জিয়াউর রহমানের শাসনামলে দুর্ভিক্ষের অবস্থা থেকে দেশ উন্নয়নের পথে অগ্রসর হয়েছিল।
তিনি আরও বলেন, অতীতের বিভিন্ন সময় ও বিশেষ করে গত ১৮ বছরে বিএনপির বহু নেতাকে গুম এবং হত্যার শিকার হতে হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
জিয়াউর রহমানের অবদান স্মরণ করে আহমেদ আজম খান বলেন, বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় তার ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। মুক্তিযুদ্ধের নামকরণেও তার অবদান রয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, প্রত্যেক কর্মীকে শহীদ জিয়ার আদর্শ ধারণ করে কাজ করতে হবে এবং বর্তমান সময়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করতে হবে।
অনুষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন জানান, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল পুনর্গঠনের মাধ্যমে অমুক্তিযোদ্ধাদের বাদ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান বলেন, ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত গণতান্ত্রিক প্রত্যাশা ধ্বংস করা হয়েছিল, যা পুনর্গঠনের চেষ্টা চলছে।
আলোচনা সভায় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত মুক্তিযোদ্ধারা অংশ নেন।
এম জি