আগামী শিক্ষাবর্ষগুলোতে জাতীয় শিক্ষাক্রমে নতুন কিছু বিষয় অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে জুলাই অভ্যুত্থানের সম্মুখসারির যোদ্ধা শরীফ ওসমান বিন হাদীর বীরত্বগাথা পাঠ্যবইয়ে যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ২০২৮ শিক্ষাবর্ষ থেকে চালু হতে যাওয়া নতুন শিক্ষাক্রমে তাঁর অবদান শিক্ষার্থীদের সামনে তুলে ধরা হবে।
বুধবার জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যবই পরিমার্জনসংক্রান্ত এক বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে শিক্ষা সচিবসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
জানা গেছে, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের দেশের গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ও সামাজিক আন্দোলনের সঙ্গে পরিচিত করতে নতুন পাঠ সংযোজনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে শরীফ ওসমান বিন হাদীর ভূমিকা ও আত্মত্যাগকে পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করার নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে।
সূত্রগুলো বলছে, পঞ্চম শ্রেণির বাংলা বইয়ে যেভাবে তিতুমীর, প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার, নূর হোসেন, আবু সাঈদ ও মুগ্ধের অবদান তুলে ধরা হয়েছে, একই ধরনের বিন্যাসে ওসমান হাদীর জীবন ও বীরত্বগাথা উপস্থাপনের পরিকল্পনা করছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)।
এদিকে একই বৈঠকে আগামী শিক্ষাবর্ষের নবম-দশম শ্রেণির বাংলা সাহিত্য পাঠ্যবইয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক লেখা থেকে নতুন পাঠ সংযোজনের বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।
এএন