১৯ বছর পর বগুড়ায় যাচ্ছেন তারেক রহমান

আবু তাহের প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৬, ২০২৬, ০২:০৯ পিএম

দীর্ঘ ১৯ বছরের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে নিজের পৈতৃক জেলা বগুড়ায় যাচ্ছেন বিএনপি চেয়ারপারসন ও দলের প্রধান নেতা তারেক রহমান। 

আগামী বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) শহরের ঐতিহাসিক আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠে আয়োজিত এক বিশাল নির্বাচনী জনসভায় তিনি প্রধান অতিথির ভাষণ দেবেন। লন্ডনে দীর্ঘ নির্বাসন শেষে দেশে ফেরার পর এটিই হবে তার প্রথম উত্তরবঙ্গ সফর।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তারেক রহমান এবারই প্রথম সরাসরি ভোটের লড়াইয়ে নামছেন। তিনি বগুড়া-৬ (সদর) এবং ঢাকা-১৭ আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীকে প্রার্থী হয়েছেন। পৈতৃক জেলায় তার প্রার্থী হওয়া এবং আগমনের খবরে বগুড়ার তৃণমূল নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, তারেক রহমান আগামী ২৮ জানুয়ারি রাজশাহী ও নওগাঁয় নির্ধারিত নির্বাচনী কর্মসূচি শেষ করে সড়কপথে বগুড়ায় পৌঁছাবেন। ওই রাতে তিনি বগুড়ায় অবস্থান করবেন। 

পরদিন ২৯ জানুয়ারি আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠে আয়োজিত জনসভায় অংশ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেবেন। জনসভাকে ঘিরে ইতোমধ্যে জেলা বিএনপি ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।

গত রোববার (২৫ জানুয়ারি) বিকেলে জেলা বিএনপির সভাপতি মো. রেজাউল করিম বাদশাহর নেতৃত্বে দলীয় নেতা-কর্মীগণ জনসভার স্থান পরিদর্শন করেন এবং সার্বিক প্রস্তুতির চূড়ান্ত তদারকি সম্পন্ন করেন। মাঠ সাজানো, মঞ্চ নির্মাণ, নিরাপত্তা ও জনসমাগম ব্যবস্থাপনা সবকিছুই শেষ পর্যায়ে রয়েছে বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে।

জনসভা ছাড়াও তারেক রহমান তার পৈতৃক নিবাস গাবতলী উপজেলার বাগবাড়ী গ্রাম পরিদর্শন করবেন বলে জানা গেছে। সেখানে তিনি সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ জিয়াউর রহমানের পৈতৃক ভিটা পরিদর্শন করবেন এবং স্থানীয় মানুষের সঙ্গে কুশল বিনিময় করবেন।

প্রিয় নেতাকে বরণ করে নিতে বগুড়া শহর ও গাবতলী এলাকায় বইছে উৎসবের আমেজ। তোরণ, ব্যানার, ফেস্টুন ও পোস্টারে ছেয়ে গেছে সড়ক-মহাসড়ক। জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশাহ বলেন, “বগুড়ার মানুষ তাদের মাটির সন্তানকে বরণ করতে মুখিয়ে আছে। ইনশাআল্লাহ ২৯ জানুয়ারির জনসভা জনসমুদ্রে পরিণত হবে।”

উল্লেখ্য, ২০০৬ সালে সর্বশেষ তারেক রহমান বগুড়া সফর করেছিলেন। দীর্ঘ ১৯ বছর পর তার এই প্রত্যাবর্তন উত্তরবঙ্গের রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

ইএইচ