আমাদের তরুণ বন্ধুদের দ্বারা গঠিত এনসিপির কিছু সাংগঠনিক কার্যক্রম মদের বারে হচ্ছে শুনে ভালো লাগলো বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁন।
শনিবার (২০ জুন) সকাল ১০টার দিকে তিনি তার ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে এ মন্তব্য করেন।
তিনি লেখেন, সংগঠনের আন্তর্জাতিক মান রক্ষায় বিকল্প আর কী আছে? এনসিপিতে বিদেশে পড়াশোনা করা বা আন্তর্জাতিক এনজিওর সঙ্গে যুক্ত বেশ কয়েকজন নেতা রয়েছেন। ওইসব দেশে মদের বারে আড্ডার মাধ্যমে কাজ করা স্বাভাবিক বিষয় বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
রাশেদ খাঁন আরও লেখেন, এনসিপির ধর্মভীরু ও হিজাবী নারীর পক্ষে মদের বারে সাংগঠনিক কাজে যুক্ত হওয়া কঠিন হতে পারে। একই সঙ্গে তিনি দলটির অভ্যন্তরীণ নেতৃত্ব কাঠামো ও সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রশ্ন তোলেন।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, এনসিপি যদি রাজপথের প্রকৃত কর্মী বা জুলাই যোদ্ধাদের দ্বারা গঠিত হতো, তাহলে দলটির অবস্থান আরও শক্তিশালী হতো। কিন্তু দলটির কিছু শীর্ষ নেতৃত্ব শুরু থেকেই যোগ্য ও পরিচিত কর্মীদের একীভূত না করে সীমিত নেতৃত্বকে প্রাধান্য দিয়েছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
তিনি আরও লেখেন, রাজপথে না নামা কিছু ব্যক্তিকে বিপ্লবী হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছে, ফলে প্রকৃত বিপ্লবীদের অংশগ্রহণ কমে যাচ্ছে। কেন প্রকৃত বিপ্লবীরা এনসিপিতে নেই, সে প্রশ্ন দলীয় নেতৃত্বের খোঁজা উচিত বলেও তিনি মত দেন।
এদিকে, মূল ঘটনায় এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আবু সাঈদ মোহাম্মদ সুজা উদ্দিন এবং চট্টগ্রাম মহানগর নেত্রী সাদিয়া আফরিনের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানি ও অনৈতিক প্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন দলটির এক নারী কর্মী।
শুক্রবার চট্টগ্রাম নগরীর কাজীর দেউড়ির একটি রেস্তোরাঁয় সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব অভিযোগ করেন। নিজেকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সক্রিয় অংশগ্রহণকারী ও এনসিপির কর্মী হিসেবে পরিচয় দেন ওই তরুণী।
অভিযোগে বলা হয়, নারীশক্তির কমিটির আলোচনার কথা বলে তাকে ১৪ জুন নগরীর একটি হোটেলে নেওয়া হয়, যেখানে নির্ধারিত বৈঠকের বদলে রুফটপ বার পরিবেশে পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয় তাকে। সেখানে তাকে অস্বস্তিকর পরিস্থিতিতে ফেলা হয় এবং পরবর্তীতে আপত্তিকর আচরণ ও প্রস্তাবের সম্মুখীন হতে হয় বলেও তিনি দাবি করেন।
এ ঘটনায় গত বুধবার চকবাজার থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে বলে জানান অভিযোগকারী। বিষয়টি নিয়ে এনসিপির পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
এম জি