দাপুটে বোলিংয়ে পাকিস্তানকে অল্প রানে আটকে দিয়েও ব্যাট হাতে ব্যর্থ হলো বাংলাদেশ। মামুলি লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ব্যাটারদের ব্যর্থতায় হেরে বিদায় নিতে হলো স্টিভ রোডসের শিষ্যদের। আর এই জয়ে ভারতের পর ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করল পাকিস্তান।
১৩৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বাংলাদেশের শুরুটাই হয়েছিল দুঃস্বপ্নের মতো। ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমন শূন্য রানে আউট হন শাহিন আফ্রিদির বলে। ওয়ানডাউনে নামা তাওহিদ হৃদয়ও টিকতে পারেননি, ১০ বলে ৫ রান করে ফেরেন তিনিও শাহিনের শিকারে।
অন্য ওপেনার সাইফ হাসান কিছুটা আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ের ইঙ্গিত দিলেও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। হ্যারিস রউফের বলে সাইম আইয়ুবের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ১৮ রান করে। শেখ মেহেদীর ব্যাট থেকে আসে মাত্র ১১ রান।
পঞ্চম উইকেটে নুরুল হাসান সোহান ও শামীম পাটোয়ারি চাপ সামলানোর চেষ্টা করেন। তবে সোহানকে ২১ রানে ফেরান সাইম আইয়ুব। অধিনায়ক জাকের আলি করেন মাত্র ৯ বলে ৫ রান।
লড়াই চালিয়ে যান শামীম পাটোয়ারি। তাকে সঙ্গ দিচ্ছিলেন তানজিম হাসান সাকিব। কিন্তু ইনিংসের ১৮তম ওভারের শুরুতেই শামীম আউট হন ২৫ বলে ৩০ রান করে। একই ওভারে ফেরেন সাকিবও, করেন ১১ বলে ১০ রান। বাকিরাও সুবিধা করতে না পারায় শেষ পর্যন্ত লক্ষ্য ছুঁতে পারেনি বাংলাদেশ।
এর আগে টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশের অধিনায়ক জাকের আলি। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক বোলিংয়ে চাপে পড়ে পাকিস্তান। তাসকিন আহমেদের করা প্রথম ওভারেই আউট হন সাহিবজাদা ফারহান (৪)। এরপর শেখ মেহেদী ফেরান সাইম আইয়ুবকে (০)।
ফখর জামান ও অধিনায়ক সালমান আলি আঘা কিছুটা চেষ্টা করলেও লেগস্পিনার রিশাদ হোসেনের সামনে টিকতে পারেননি। ফখর করেন ১৩ রান, হোসাইন তালাত ফেরেন ৩ রানে। সালমান আলি আঘা করেন ২১ রান।
মাত্র ৪৯ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে পাকিস্তান। তবে ক্যাচ মিসের সুযোগ কাজে লাগিয়ে রান তুলতে থাকেন মোহাম্মদ হারিস ও মোহাম্মদ নেওয়াজ। হারিস ৩১ এবং নেওয়াজ ২৫ রান করে দলকে ১৩৫ রানে পৌঁছে দেন। শাহিন আফ্রিদি ব্যাট হাতে যোগ করেন গুরুত্বপূর্ণ ১৯ রান।
বাংলাদেশের হয়ে তাসকিন আহমেদ নেন ৩ উইকেট। শেখ মেহেদী ও রিশাদ হোসেন পান দুটি করে উইকেট।