ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের পরিচালক এম এ এন সিদ্দিক বলেন, ‘মেট্রোরেল-৬ চালু হলে ৩৮ মিনিটে মতিঝিল যেতে পারবেন যাত্রীরা। সঙ্গে আরও পাঁচ মেট্রোরেল লাইন যখন চালু হবে, তখন তা আমাদের অর্থনৈতিক উন্নয়নে প্রভাব রাখবে। শুধু এমআরটি লাইন-৬ চালু হলে ঢাকায় কার্বন নিঃসরণ কমে যাবে দুই লাখ দুই হাজার ৭২৬ টন।
এছাড়া প্রতিটি মেট্রোলাইনের জন্য অন্তত দুই হাজার করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে জানিয়ে সিদ্দিক বলেন, এ জন্য আমরা একটি মেট্রোরেল ট্রেনিং সেন্টার চালু করতে যাচ্ছি। তিনি বলেন, মেট্রোরেলে প্রতিদিন পাঁচ লাখ যাত্রী যাতায়াত করতে পারবে।
মেট্রোরেল ট্রান্সপোর্টের ছয়টি প্রকল্পের কাজ শেষ হবে ২০৩০ সালে। তখন প্রায় সাড়ে ৫০ লাখ যাত্রী এই এমআরটি দৈনিক ব্যবহার করতে পারবেন। আমরা যে যানজট নিরসনের জন্য কাজ করছি, সে ক্ষেত্রে ব্যাপক ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে।
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন