মানুষের জীবন রক্ষায় স্বেচ্ছায় রক্তদাতাদের সংগঠন ‘বাঁধন’ - ঢাকা উত্তর জোনের নতুন কার্যকরী পরিষদ- ২০২৬ গঠন করা হয়েছে। নবগঠিত কমিটিতে সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুটেক্স) শিক্ষার্থী নাঈম উদ্দিন তৌকির এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন সরকারি বাঙলা কলেজের শিক্ষার্থী বোরহান মিয়া। এছাড়া সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে জিয়াউল হক নাফিউ এবং কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন সরকারি তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থী মো. রকিবুল ইসলাম।
শুক্রবার বিকেলে বুটেক্সের অডিটোরিয়ামে বাঁধন ঢাকা উত্তর জোনের বার্ষিক সাধারণ সভা ও দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠান -২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. জুলহাস উদ্দিন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক ড. ছদরউদ্দীন আহমদ, অধ্যাপক মো. কামরুল হাসান, অধ্যাপক ড. এইচ. এম. আলিজ্জাহ, অধ্যাপক ড. মো. মশিউর রহমান খান এবং অধ্যাপক ড. রাশেদা বেগম দিনা। সভায় সভাপতিত্ব করেন বাঁধন ঢাকা উত্তর জোনের সাবেক সভাপতি মো. শিহাব শারার।
নবগঠিত কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন-
সহ-সভাপতি: তামান্না আক্তার ও রাব্বানী হোসেন সম্রাট
সহ-সাধারণ সম্পাদক: সামিয়া কবির স্বর্ণা
সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক: মো. তানজীর আহমেদ
কোষাধ্যক্ষ: মো. লিমন ভূঁইয়া
দপ্তর সম্পাদক: অনিন্দ্য বিশ্বাস অর্ঘ্য
প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক: সানজিদুল হোসেন সাজিদ
তথ্য ও শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক: পিয়াল আহমেদ
এছাড়া নির্বাহী সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মো. তাসফিক উল্লাহ, কাজীউল ফুয়াদ আবির, শিহাব উদ্দিন মারুফ, মো. সাইফুল খান, মো. সিফাত আহমেদ শাকিল ও তন্ময় আহমেদ।
উক্ত সভায় বাঁধনের বিভিন্ন ইউনিটের কর্মী, স্বেচ্ছাসেবক ও আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে সদ্য সাবেক কমিটির পক্ষ থেকে নবনির্বাচিত কমিটির কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব হস্তান্তর করা হয়।
নবনিযুক্ত সভাপতি নাঈম উদ্দিন তৌকির বলেন, এই দায়িত্ব আমার জন্য অত্যন্ত সম্মান ও মানবিক অঙ্গীকারের প্রতীক। বাঁধনের সকল সদস্য ও স্বেচ্ছাসেবকদের সঙ্গে নিয়ে স্বেচ্ছায় রক্তদানসহ সকল মানবিক কার্যক্রমকে আরও সংগঠিত, গতিশীল ও কার্যকরভাবে এগিয়ে নিতে চাই।
সাধারণ সম্পাদক বোরহান মিয়া বলেন, ঢাকা উত্তর জোনের প্রতিটি ইউনিটকে কার্যকরভাবে একসূত্রে গেঁথে একটি শক্ত নেটওয়ার্ক গড়ে তোলাই আমার প্রধান লক্ষ্য। স্বেচ্ছাসেবকদের দক্ষতা উন্নয়ন, সময়মতো রক্তদানের সাড়া নিশ্চিত করা এবং ইউনিটগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়াতে আমরা সংগঠনের কাঠামো আরও সুসংগঠিত করবো। সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে বাঁধনের মানবিক কার্যক্রমকে আরও বিস্তৃত ও গতিশীল করে তোলার প্রত্যয় নিয়ে কাজ করতে চাই। যে মুহূর্তে একজন রোগীর রক্ত প্রয়োজন হবে, সেই মুহূর্তেই বাঁধন তার পাশে দাঁড়াবে।
নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে ঢাকা উত্তর জোনে বাঁধনের স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রম আরও বিস্তৃত হবে এবং মানবিক সেবায় সংগঠনটির ভূমিকা আগের চেয়ে আরও জোরালো হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
এএন
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন