সমর্থকদের সংযম নিশ্চিত করতে বিএনপি-জামায়াতকে সরকারের আহ্বান

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৯, ২০২৬, ০২:৩০ পিএম
সমর্থকদের সংযম নিশ্চিত করতে বিএনপি-জামায়াতকে সরকারের আহ্বান

নির্বাচনি সংঘাতে শেরপুরে জামায়াতের এক নেতার মৃত্যুর ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। একই সঙ্গে বিএনপি ও জামায়াতসহ সব রাজনৈতিক দলকে তাদের সমর্থকদের সংযম নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ আহ্বান জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘শেরপুরে সংঘটিত সাম্প্রতিক সহিংসতায় জামায়াতে ইসলামীর এক রাজনৈতিক কর্মীর মৃত্যুতে অন্তর্বর্তী সরকার গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছে। সহিংসতার ফলে প্রাণহানি সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য এবং অত্যন্ত দুঃখজনক।’

জাতীয় নির্বাচন আর মাত্র দুই সপ্তাহ দূরে উল্লেখ করে সরকার বলছে, এ সময়ে বিএনপি ও জামায়াতসহ সকল রাজনৈতিক দলকে দায়িত্বশীল নেতৃত্ব প্রদর্শন করতে হবে। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সহিংসতা, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও প্রাণহানির কোনো স্থান নেই বলেও বিবৃতিতে স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সব রাজনৈতিক দল, নেতা এবং নির্বাচনী প্রচারণায় যুক্ত সকলের প্রতি শান্তি বজায় রাখা, আইনের শাসনের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন এবং শান্তিপূর্ণ উপায়ে ভোটারদের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে। শান্ত পরিবেশ, শৃঙ্খলা ও গণতান্ত্রিক আচরণের ওপরই জাতির ভবিষ্যৎ নির্ভরশীল।

শেরপুরে সংঘর্ষ ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে জানিয়ে সরকার নিশ্চিত করেছে যে, এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে। বর্তমানে জেলার সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। একটি শান্তিপূর্ণ, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে অন্তর্বর্তী সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, বুধবার শেরপুর-৩ আসনের ঝিনাইগাতী উপজেলা মিনি স্টেডিয়াম মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নিয়ে নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে বিএনপি ও জামায়াত নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি রেজাউল করিমসহ উভয় দলের অন্তত অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী আহত হন। রাতে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে রেজাউল করিমের মৃত্যু হয়।

ইএইচ