আসন্ন ঈদুল ফিতরের আনন্দ প্রিয়জনদের সঙ্গে ভাগ করে নিতে রাজধানী ছাড়তে শুরু করেছে ঘরমুখী মানুষ।
বুধবার সকাল থেকে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। বাসের তুলনায় ট্রেনে যাত্রার বাড়তি আগ্রহের কারণে স্টেশনে সৃষ্টি হয়েছে তিল ধারণের ঠাঁই নেই অবস্থা।
সরেজমিনে দেখা গেছে, ভোর থেকেই পরিবার-পরিজন এবং ব্যাগ-পত্র নিয়ে স্টেশনে ভিড় জমান যাত্রীরা। ট্রেনের ভেতরে জায়গা না পেয়ে অনেক যাত্রী প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে ট্রেনের ছাদে চড়ে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন। বিশেষ করে উত্তরবঙ্গ ও চট্টগ্রামগামী ট্রেনগুলোতে তিল ধারণের জায়গা ছিল না।
এদিন সকালে রাজশাহীগামী ধূমকেতু এক্সপ্রেস, সিলেটগামী পারাবত এক্সপ্রেস, চিলাহাটিগামী নীলসাগর এক্সপ্রেস, চট্টগ্রামগামী সোনার বাংলা এক্সপ্রেস, কিশোরগঞ্জগামী এগারোসিন্দুর প্রভাতী এবং নারায়ণগঞ্জ কমিউটার ট্রেনসহ মোট ছয়টি ট্রেন নির্ধারিত সময়েই স্টেশন ছেড়ে গেছে। নির্ধারিত সময়ে ট্রেন ছাড়ায় যাত্রীদের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি থাকলেও আসন না পাওয়া যাত্রীদের পোহাতে হচ্ছে চরম ভোগান্তি।
রাজশাহীগামী যাত্রী আহমেদ আরিফ জানান, বাসের বাড়তি ভাড়া ও মহাসড়কের চাপের কারণে তিনি ট্রেন বেছে নিয়েছেন। তবে পরিবারের সদস্যদের ভেতরে বসিয়ে দিলেও নিজে জায়গা না পেয়ে বাধ্য হয়ে ছাদে উঠেছেন।
রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঈদ উপলক্ষে যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্টেশন জুড়ে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। র্যাব, পুলিশ, আনসার ও রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা প্রবেশপথ ও প্ল্যাটফর্মে সার্বক্ষণিক নজরদারি চালাচ্ছেন। রেলওয়ে সংশ্লিষ্টরা যাত্রীদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ভ্রমণ না করার এবং নির্ধারিত টিকিট নিয়ে সুশৃঙ্খলভাবে যাতায়াতের আহ্বান জানিয়েছেন।
জেএইচআর
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন