নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে জনতার কথা ও ইউনিয়ন পরিষদের জবাবদিহিতা মূলক উন্মুক্ত সভা অনুষ্ঠিত হয়।
রোববার সকাল ১০ টায় উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে এ উন্মুক্ত সভা অনুষ্ঠিত হয়।
মুছাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আইয়ুব আলী'র সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা বলেন, এই এলাকার মানুষের প্রধান দাবি ছিলো এলাকায় সালিশ বানিজ্য বন্ধ করতে হবে। আজকে ঘরে ঘরে হানাহানি, পরিবারে পরিবারে হানাহানি, বাড়িতে বাড়িতে হানাহানি, এটা থেকে উত্তরণের পথ মানুষের এখন নেই।
তিনি আরও বলেন,আজকে মানুষ ন্যায় বিচার পায় না, জনপ্রতিনিধির পিছনে হাটতে হাটতে সেন্ডেল ক্ষয় হয়ে যায়, প্রশাসনের পিছনে হাটতে হাটতে সেন্ডেল ক্ষয় হয়ে যায়, তারপরও ন্যায় বিচার পায়না, ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করাই হচ্ছে একজন জনপ্রতিনিধির প্রধান কাজ।
উন্মুক্ত আলোচনায় উপস্থিত সাধারণ জনগনের প্রশ্নের জবাবে চেয়ারম্যান আইয়ূব আলী বলেন,আমি আমার নির্বাচনী ওয়াদা হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে এই সল্প সময়ে ইউনিয়নের বিভিন্ন বিদ্যালয়ের চলাচলের রাস্তা সংস্কার, কালভার্ট ও মসজিদের ঘাট সহ বেশ কয়েকটি রাস্তার সলিং এর কাজ করেছি। এছাড়াও মুছাপুর ক্লোজার এলাকাকে পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে উন্নয়ন প্রকল্প ভুক্ত করে প্রায় ৫০ কোটি টাকার কাজ বাস্তবায়নাধীন সহ বাংলা বাজারে বহুতল কাচা বাজার নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছি।
এলাকায় ইভটিজিং ও কিশোর গ্যাং প্রশ্নে চেয়ারম্যান আইয়ূব আলী বলেন,ছোট ছোট ছেলেরা মোবাইলে আসক্ত হচ্ছে,নেশাগ্রস্থ হচ্ছে, অবৈধ কাজে লিপ্ত হচ্ছে এর জন্য প্রথম দায়ী তাদের পরিবার। পরিবারের মা-বাবা যদি সচেতন না হয় আমাদের একার পক্ষে এই নতুন প্রজন্মকে রক্ষা করা সম্ভব নয়। তাই সকল মা-বাবাকে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দেন চেয়ারম্যান আইয়ূব আলী।
উন্মুক্ত সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান একরামুল হক মিয়া, ইউপি সচিব মোঃ আব্দুল গফুর, প্যানেল চেয়ারম্যান আহছান উল্লাহ ভূট্টু, মুছাপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি জসিম উদ্দীন বাবর, সাধারণ সম্পাদক ফরিদ উদ্দীন সহ আরো অনেকেই।
কেএস
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন