গাইবান্ধা-৫ (সাঘাটা ও ফুলছড়ি উপজেলা) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী নাহিদুজ্জামান নিশাদ নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন
রোববার (২৫ ডিসেম্বর) দুপুরে বগুড়া প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ ঘোষণা দেন। নাহিদুজ্জামান স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আপেল প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে নিশাদ বলেন, আগামী ৪ জানুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না বলে আমি বিশ্বাস করি। তাছাড়া স্থানীয় জনগণও ভোট কেন্দ্রে যাবে না। এ সব কারণে আমি প্রার্থীতা প্রত্যাহার করে নিলাম।
তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল একটি সুষ্ঠু, সুন্দর ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের। কিন্তু সেটা গত ১২ অক্টোবরে করতে পারেনি। ভোট ডাকাতির মাধ্যমে উপহাস করেছে কমিশন। বিশেষ এক প্রার্থীর কর্মী ও বহিরাগত সন্ত্রাসীরা জোর-জবরদস্তি, হুমকি-ধমকি ও মারপিট করেছে। সাধারণ ভোটারদের ভোটকেন্দ্র থেকে বের করে দিয়ে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে নিজেরাই ভোট দিয়েছে। আমার এবং প্রতিদ্বন্দ্বী অন্য প্রার্থীদের ওপর আক্রমণসহ নানা অপকর্মের সাক্ষী হয়েছে সাঘাটা-ফুলছড়িবাসী। চিহ্নিত ভোট ডাকাতদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি কমিশন। সুতরাং কমিশন ফের ভোটের তফসিল ঘোষণা করে আবার প্রহসন করতে চাচ্ছে। আমি আমার জামানতের টাকা ফেরত পাওয়ারও দাবি করছি।
গাইবান্ধা-৫ আসনের নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী গত ২৩ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এরপর আসনটি শূন্য ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। আসনটিতে ১২ অক্টোবর উপ-নির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলাকালে নানা অভিযোগ উঠায় ৫১টি কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়। আগামী ৪ জানুয়ারি গাইবান্ধা-৫ আসনের উপ-নিবাচন অনুষ্ঠিত হবে।
সংবাদ সম্মেলনে সাঘাটার জুমাড়বাড়ি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান রুস্তম আলী আকন্দ, বীর মুক্তিযোদ্ধা আমিনুল ইসলাম, অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য রফিকুল ইসলাম মুকুল, জয়নাল আবেদিন উপস্থিত ছিলেন।
কেএস
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন