বগুড়ার নন্দীগ্রামে মনসুর হোসেন ডিগ্রি কলেজে অধ্যক্ষসহ তিন পদে অর্ধকোটি টাকা নিয়োগ বাণিজ্যের প্রতিবাদে ঘোষিত কর্মসূচির প্রথমদিনে বিক্ষোভ মিছিল করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা কামরুল হাসান সবুজ ও বিধি বহির্ভূতভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাহবুবুর রশিদ তোতা মিয়ার অপসারণসহ শাস্তির দাবিতে নন্দীগ্রাম বাসস্ট্যান্ডে মহাসড়কে বিক্ষোভ মিছিল করেন স্থানীয় সচেতন নাগরিক সমাজ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও কলেজ সংশ্লিষ্টরা।
প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য দেন- মিজানুর রহমান মিজান, দুলাল হোসেন, রাশেদুল ইসলাম লিটন, নজরুল ইসলাম, বায়জিদ হোসেন, শারফুল ইসলাম, মিলন হোসেন, সুজন মিয়া, তুষার আহমেদ প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, একটি কলেজের বহিষ্কৃত শিক্ষক মাহবুবুর রশিদ তোতা মিয়াকে মনসুর হোসেন ডিগ্রি কলেজে বিধি বহির্ভূতভাবে অধ্যক্ষ পদে গোপনে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ২০১৮ সালে বিস্ফোরকদ্রব্য আইনে নন্দীগ্রাম থানায় মামলা রয়েছে। মাহবুবুর রশিদ কয়েক লাখ টাকা আত্মসাতসহ নানা অনিয়মের কারণে পীরব ইউনাইটেড ডিগ্রি কলেজ থেকে সাময়িক বরখাস্ত অবস্থায় সব তথ্য গোপন রেখে টাকার বিনিময়ে নিয়োগ পেয়েছেন। গভর্নিং বডির সভাপতি-অধ্যক্ষের অপসারণ, তদন্ত কমিটি ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থার দাবি জানিয়ে একমাসের বেশি সময় ধরে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটামের পরও মাধ্যমিক উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর কোনো হস্তক্ষেপ গ্রহণ করেনি। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দেন স্থানীয়রা।
এ ব্যাপারে মনসুর হোসেন ডিগ্রি কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি কামরুল হাসান সবুজ বলেন, নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ ভিত্তিহীন। নিয়ম মেনেই নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন করেছি।
ইএইচ
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন