কক্সবাজারের পেকুয়ায় দেবর-শাশুড়ির বিরুদ্ধে এক প্রবাসীর স্ত্রীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ঘটনায় দেবর-শ্বাশুড়িসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে থানায় এজাহার জমা দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার বিকালে ভুক্তভোগী নারী হাবিবা আক্তার উর্মি বাদী হয়ে পেকুয়া থানায় এজাহার দায়ের করেন। হাবিবা আক্তার উর্মি উপজেলার টইটং ইউনিয়নের জালিয়ার চাং এলাকার প্রবাসী আবু তৈয়বের স্ত্রী।
লিখিত এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ১১ বছর আগে হাবিবা আক্তার উর্মির সঙ্গে একই এলাকার নছরত আলীর ছেলে আবু তৈয়বের বিয়ে হয়। স্বামী তৈয়ব সৌদি প্রবাসী। বিয়ের পর থেকে তুচ্ছ বিষয় নিয়ে দেবর-শাশুড়িসহ শ্বশুর বাড়ির লোকজন তাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করে আসছিল। তারা কয়েকদফা শারীরিক হেনস্তা করে উর্মিকে। এর জের ধরে মঙ্গলবার সকালে উর্মির দুই বছরের ছেলে আহনানকে বাড়িতে আটকিয়ে রাখে শাশুড়ি ছালেহা বেগম। এ নিয়ে বউ-শাশুড়ির মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে শাশুড়ি ছালেহা বেগম, দেবর আবু ছালেক, তার স্ত্রী রুমা আক্তার, ননদ হাবিবা আক্তার ও চাচা শ্বশুর দুলামিয়া মিলে উর্মিকে এলোপাতাড়ি মারধর করে।
এমনকি দেবর আবু ছালেক শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা চালায়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।
হাবিবা আক্তার উর্মি বলেন, বিয়ের পর থেকে নির্যাতন তার ওপর। সংসার সন্তানদের কথা চিন্তা করে সবই নীরবে সহ্য করে এসেছি। বাড়িতে হাঁস মুরগিও পালন করতে পারি না। সব চুরি করে তারা।
পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ইলিয়াছ বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ইএইচ
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন