আওয়ামী ফ্যাসিবাদী সরকারের বৈষম্যের বিরুদ্ধে ছাত্র জনতার বিপ্লব ছিল গণতন্ত্র মুক্তির আন্দোলন। সে আন্দোলনে শেখ হাসিনার নির্দেশে ছাত্র জনতার উপর গণহত্যা সংঘটিত হয়েছিল। আমরা যদি গণহত্যার বিচার নিশ্চিত করতে না পারি তাহলে গণতন্ত্রের জন্য যারা জীবন বিলিয়ে দিয়েছেন সেসব শহীদ ছাত্র জনতার আত্মা শান্তি পাবে না। খুনিদের বিচারের মাধ্যমে এমন নজির স্থাপন করতে হবে যাতে ভবিষ্যতে কেউ এরকম দুঃসাহস না দেখায়।
সারাদেশে ছাত্র-জনতার উপর গুলি চালিয়ে গণহত্যাকারীদের বিচারের দাবীতে আজ বুধবার (১৪ আগস্ট) হাটহাজারী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় উপজেলা বিএনপি`র আহবায়ক ও চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপি`র যুগ্ম আহবায়ক আলহাজ্ব নূর মোহাম্মদের সভাপতিত্বে ও উপজেলা বিএনপি`র সদস্য সচিব মো. গিয়াসউদ্দিন চেয়ারম্যান এবং পৌরসভা বিএনপি`র সদস্য সচিব মো. ওয়াহিদুল আলমের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হাটহাজারী বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের অবস্থান কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, আওয়ামীলীগের রাজনীতি হলো হত্যা, লুটপাট আর মিথ্যাচারের রাজনীতি। দেশের সকল গণতান্ত্রিক কাঠামো ধ্বংস করে গেছে ফ্যাসিস্ট হাসিনা। আওয়ামী নেতৃবৃন্দ ভারতে বসে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার আর গুজব রটাচ্ছে। তারা সাম্প্রদায়িক ইস্যু সৃষ্টির গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। বিএনপি একটি দেশপ্রেমিক ও গণতন্ত্রে বিশ্বাসী দল। দেশী বিদেশী সকল ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় বিএনপি`র নেতা-কর্মীরা প্রস্তুত রয়েছে। এদেশের মাটিতে কোন বিদেশী শক্তির তাঁবেদারি চলবে না। একটি বৈষম্যহীন উন্নত গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
এতে উপস্থিত ছিলেন হাটহাজারী পৌরসভা বিএনপি`র আহবায়ক ও চট্টগ্রাম উত্তরজেলা বিএনপি`র সদস্য আলহাজ্ব জাকের হোসেন। উপজেলা বিএনপি`র যুগ্ম আহবায়ক ডাঃ রফিকুল আলম চৌধুরী, পৌরসভা বিএনপি`র সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মো. আব্দুল শুক্কুর কাউন্সিলর, উত্তর জেলা সেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মো. আকবর আলী, উত্তর জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মো. মনিরুল আলম জনি, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ও উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক মো. তকিবুল হাসান।
আরএস
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন