বরিশালের বাকেরগঞ্জে আতাকাঠী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা দিলরুবা বেগমের বিরুদ্ধে সরকারি বরাদ্দের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে দাখিলকৃত ভাউচারে অনেক অসংগতি লক্ষ্য করা গেছে।
বাকেরগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে সেখানে বিদ্যালয় পর্যায়ে উন্নয়ন পরিকল্পনা (স্লিপ) তহবিল থেকে ১১৪নং আতাকাঠী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৭০ হাজার, ক্ষুদ্র মেরামত বাবদ ২ লক্ষ ও রুটিন মেরামত বাবদ ৪০ হাজার মোট ২ লক্ষ ৯০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়।
কিন্তু এর অধিকাংশ টাকাই খরচ না করে প্রধান শিক্ষিকা দিলরুবা বেগম আত্মসাৎ করেছেন বলে জানিয়েছেন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা। এছাড়াও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে দাখিলকৃত প্রায় ভাউচারই ভুয়া বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট দোকানের মালিকেরা।
বিদ্যালয়ের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা আজম সিকদার বলেন, ‘স্কুলে প্রায় ৩ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু ভাউচারের সঙ্গে কাজের কোনো মিল নেই। বরং প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণির জন্য শিক্ষা উপকরণ কেনার কথা বললে প্রধান শিক্ষিকা অর্থ সংকটের কথা জানিয়েছেন।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মোজাম্মেল হক ও শিক্ষক প্রতিনিধি রেজাউল হকের সহযোগিতায় প্রধান শিক্ষিকা দিলরুবা বেগম এ অর্থ আত্মসাৎ করেছেন।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আতাকাঠী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা দিলরুবা বেগম বলেন, ‘কাজ করে সঠিকভাবে হিসাব দাখিল করার পরে শিক্ষা অফিস থেকে অর্থ ছাড় করেছে। তাই অর্থ আত্মসাতের প্রশ্নই আসে না।’
এ বিষয়ে বাকেরগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করা হবে। কোনো ধরনের অনিয়ম দেখা গেলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ইএইচ
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন